বিধানসভার গ্রন্থাগার থেকে নেওয়া ১৯টি বই ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। দলের ছাত্র সমাবেশের মঞ্চ থেকে কড়া ভাষায় অভিযোগের জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা গ্রন্থাগার থেকে ১৯টি বই নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেরত দেননি বলে অভিযোগ করেছেন গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। 

এবার মিথ্যে অভিযোগের পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূলের সুপ্রিমো। ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে তিনি সাফ জানান, "এমন খারাপ দিন আসেনি যে বই চুরি করতে হবে! চাইলে আমি তিন-চারটে লাইব্রেরি বানিয়ে দিতে পারি। বিজেপির এই পরিকল্পিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে নেত্রী বলেন, আমার নামে কুৎসা রটানো হচ্ছে। চাইলে আমি আরও তিন-চারটে আস্ত লাইব্রেরি বানিয়ে দিতে পারি।"

তিনি যে কোনওদিন বিধানসভার লাইব্রেরিতে গিয়ে বই তোলেননি, সে-কথা দলের পক্ষ থেকেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। হীন রাজনৈতিক স্বার্থে নেত্রীর ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতেই এই অবান্তর গল্প ফাঁদা হচ্ছে। তাঁর নিজেরই বিশাল ব্যক্তিগত বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে। যদি তাঁর নামে কোনও বই ইস্যু হয়েও থাকে, তবে তা কে, কার স্বার্থে এবং কী উদ্দেশ্যে তুলেছিল, তার তদন্ত হওয়া উচিত। সরাসরি যোগাযোগ না করে সংবাদমাধ্যমের সামনে এভাবে ‘বই চুরির’ সস্তা তত্ত্ব খাড়া করা অত্যন্ত কুরুচিকর।

তৃণমূলের একাংশের মত,  রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে না পেরে এবং মানুষের সমর্থন হারিয়ে কার্যত দিশেহারা হয়েছে বিজেপি। তাই এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কুৎসা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা।   রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে যে নিকৃষ্ট কাজ শুরু করে বিজেপি, তা নজিরবিহীন ও অত্যন্ত রুচিহীন।