সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে কাল, মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন মীরা ভট্টাচার্য। আপাতত ভাল আছেন। চিকিৎসকরা বলছেন স্টেবল, অর্থাৎ স্থিতিশীল। মূলত পেটে যন্ত্রনা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর স্ত্রী। সিটি স্ক্যানে দেখা গিয়েছে পেটের ডানদিকে কিছু না থাকলেও বাঁ দিকে পুরু আস্তরণ আছে। এর জন্য বাড়ি ফিরে গিয়ে টানা চিকিৎসা চলবে, সঙ্গে ওষুধও। আজ সকালে রুটিন মেনে তাঁর রক্ত পরীক্ষা হয়েছে। আর কোনও নেতিবাচক কিছু না ঘটলে মঙ্গলবার বাড়ি ফিরবেন।
পেটে তীব্র যন্ত্রনা নিয়ে শুক্রবার দুপুরে আলিপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন ৭৬ বছরের মীরা। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই যন্ত্রনা হচ্ছিল। ভর্তি হওয়ার পর মাল্টিডিসিপ্লিনারি মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি হয়েছে। ওই মেডিক্যাল বোর্ডে রয়েছেন কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা: সরোজ মণ্ডল, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা: শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় এবং এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট ডা: সেমন্তী চক্রবর্তী। মীরা ভট্টাচার্যকে শুক্রবার সন্ধ্যায় দেখে আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মীরার সন্তান সুচেতন জানান, মা ভাল আছেন। আজও কয়েকটি পরীক্ষা হবে। আশা করছি দ্রুত বাড়ি ফিরবে। তবে কিছু সংবাদ মাধ্যমের উপর সুচেতন ক্ষুব্ধ। মীরার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে। প্রয়োজনে এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাড়ি ফেরার পর মীরাদেবীকে নিয়ম মেনে খেতে হবে। পরিমাণ মতো খেতে হবে। সঙ্গে চলবে ওষুধ। রুটিনে থাকলেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন দ্রুত।
















