কখনও বিধানসভায় তাঁর কণ্ঠরোধের চেষ্টা হচ্ছে, কখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র আক্রমণ - তারপরেও দমিয়ে রাখা যাচ্ছে না কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghosh)। এবার বেলেঘাটার বিধায়কের বাড়ি -কার্যালয়ে 'পরিকল্পিত হামলা'। বুধবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ভিডিও পোস্ট করে দুষ্কৃতীদের তান্ডবের কথা জানিয়েছেন বিধায়ক নিজেই। তাঁর অভিযোগের আঙ্গুল বালিশ-গদ্দার নেতাদের দিকে।
কুণালের বাড়ি-কার্যালয়ে 'পরিকল্পিত হামলা', বালিশ - গদ্দারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের
Sponsored

দুষ্কৃতীরা প্রথমে কুণালের বাড়িতে এবং পরে তাঁর কার্যালয় ঘিরে তাণ্ডব চালায়। কার্যালয়ের বাইরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যানার ও পোস্টার ছিড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক অবশ্য সেই সময় বাড়িতে বা কার্যালয়ে ছিলেন না। তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বিতর্ক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে এই দৌরাত্ম্য চলার পর উত্তর কলকাতার একটি গ্রুপে সেই ছবিও পোস্ট করা হয়। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে কুণাল লেখেন, 'আমার বাড়ি এবং পার্টি অফিসে হামলা। ঘটনাচক্রে আমি তখন ছিলাম না। পার্টি অফিসে ভাঙচুর। লোক পাঠিয়ে করানো হয়েছে। যারা এসেছিল কেউ এই এলাকার নয়। পরিকল্পিতভাবে পাঠানো হয়েছিল। তারপর পালিয়েছে। উত্তরের গ্রুপে এই ছবি প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছে সুদীপ ব্যানার্জির চামচে বাপি। বাকিটা বুঝে নিন। উত্তর কলকাতায় কে কে এই প্যাটার্নে লোক পাঠিয়ে বাঁদরামি করায়, জানি। জলাভূমি বোজানোর মাফিয়ারা কার কার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে, তাও জানি।' অর্থাৎ বেলেঘাটার বিধায়কের পোস্ট থেকে এটা পরিষ্কার যে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির এবং NCPI-র সদস্যদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছেন।

গোটা বিষয়টি কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) নজরে এনে সঠিক তদন্তের দাবি করার পাশাপাশি কুণাল ফেসবুকে লেখেন, হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুক প্রশাসন। পুলিশ বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে না দেখলে এই ঘটনায় তাদের মদত আছে বলে ধরে নেওয়া হবে বলেও পোস্ট করেছেন বিধায়ক।

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













