Site Logo

কয়েক ঘণ্টার টানটান উত্তেজনা, স্নায়ুর লড়াই শেষে থানা থেকেই বিদ্রোহীদের কড়া বার্তা কুণালের

EBBS Desk··1 min read
কয়েক ঘণ্টার টানটান উত্তেজনা, স্নায়ুর লড়াই শেষে থানা থেকেই বিদ্রোহীদের কড়া বার্তা কুণালের

কয়েক ঘণ্টার টানটান উত্তেজনা, বাইপাসের ধারে তৃণমূলের(TMC) কার্যালয়ের সামনে দলেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে যা ঘটল তা ফুটবল মাঠের ডার্বিকে হার মানাবে। কয়েক ঘণ্টার যাবতীয় উত্তেজনার শেষটা আপাতত শান্ত ভাবেই হল। 

Sponsored

Sranchi In Article

 

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাইপাসের ধারে মেট্রোপলিটন এলাকায় তৃণমূলের ভাড়া নেওয়া দলীয় অফিসে আসেন  ‘আসল’ তৃণমূলের দাবি করা ঋতব্রত-পন্থী বিধায়করা।  কিছুক্ষণ থেকে যাওয়ার সময় তালা দিয়ে চলে যান তাঁরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া ব্যানারের পাশাপাশি একটি প্রতীক দেওয়া ব্যানার টাঙিয়ে চলে যান ঋতব্রত-পন্থীরা।

 

এর পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক তথা উত্তর কলকাতার জেলা সভাপতি কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh)। তারপর কয়েক ঘণ্টা  শান্তভাবেই পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করলেন বেলেঘাটার বিধায়ক, তাঁর  সঙ্গে ছিলেন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র, যুব নেতা মৃ্ত্যুঞ্জয় পাল সহ নেতা-নেত্রীরা। 

 

সন্ধ্যা শেষে রাতে জল গড়াল থানায়। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালেন কুণাল-মদনরা। সেইসঙ্গে আগের জমা করা নথি পত্র মিলিয়ে দেখার আবেদন করলেন। আপাতত লড়াইয়ে ইতি টানলেও কুণাল সহ কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব ঋতব্রতদের বুঝিয়ে গেলেন লড়াই হবে সমানে সমানে। সহজে পার্টি অফিসের দখল বিক্ষুব্ধরা পাবেন না।

 

তালা লাগানোর খবর পাওয়ার পরই দলীয় অফিসে যান বিধায়ক কুণাল, এরপরেই আসতে থাকেন কালীঘাট তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেন। পুলিশের সঙ্গে শান্তভাবেই কথা বলতে থাকেন কুণাল। কিন্ত রাত আটটার ঘটনাস্থলে আসে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাকর্মীরা।

কুণাল ঘোষ পুলিশের সামনে বলেন, আমরা তালা ভাঙার মতো কাজ করব না। কিন্ত আমরাও একটা তালা লাগিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু পুলিশ তার অনুমতি দেয়নি। এমনকি অন্য যে দরজাগুলোর চাবি তাদের কাছে আছে সেখান দিয়ে অফিসে প্রবেশ করার অনুমতিও দেওয়া হয়নি। 

ঘটনাস্থলে অনেক দলীয় কর্মী সমর্থকরাও ছিলেন ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই পারত, কিন্ত কুণাল ঘোষ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন, স্নায়ুর লড়াই চালিয়ে গেলেন। শেষ কুণাল সহ মমতাপন্থীরা গেলেন প্রগতি ময়দান থানায়। সেখানে গিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা করলেন পুলিশের সঙ্গে। এর আগে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পার্টি অফিস সংক্রান্ত যে নথিপত্র থানায় জমা দিয়েছিলেন, সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়। এমনকি যারা তালা লাগিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

 

থানা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কুণাল ঘোষ বলেন, “আমরা পুলিশকে বলেছি ভালো করে নিরাপত্তা দিতে। আমরা সমস্ত কাজগপত্র জমা দিয়েছি, আগের হলফনামাও তাঁরা দেখছেন। বিষয়টি শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছি এবার তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন। দলের মধ্যে ভাগ থাকতেই পারে কিন্তু বহিষ্কৃতরা কীভাবে পার্টি অফিসে আসেন। কেনই বা তালা লাগিয়ে দিয়ে যাবেন? “

 

বিদ্রোহীদের নিশানা করে বলেন,” বিজেপির প্ররোচনায় কয়েকজন এই কাজ করছেন ,ভাবছেন এভাবে তৃণমূলকে শেষ করা যাবে না। কারণ তাদের সঙ্গে পুলিশ-প্রশাসন আছে। আমরা এই থানার পুলিশের নামে কিছু বলছি না তাঁরা তো উপর মহলের নির্দেশ পালন করছেন।“

সব মিলিয়ে দলীয় কার্যালয় দখল নিয়ে আগামী দিনে যে আরও নাটকীয় পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে তার আভাস দিয়ে গেল শুক্রবারের রাত।

 

 

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from মহানগর

View All →