যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তি এবং ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। দলের নেতা-মন্ত্রীদের উল্টোসুর শোনা গেল রাসবিহারীর বিধায়কের গলায়। গোটা ঘটনায় দেশের ঐতিহ্যশালী যে সম্মানহানি হয়েছে তা মেনে নিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী।  

অর্থমন্ত্রী স্বপন দাসগুপ্ত সমাজ মাধ্যমে ভিডিও পোস্ট করে বলেছেন, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রাসবিহারী বিধানসভার একেবারে পাশেই অবস্থিত। রাসবিহারীর এলাকা যেখানে শেষ হচ্ছে তার উল্টোদিকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ফলে সেখানকার খবর পাই। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে এই ধরণের মারপিঠটা দুর্ভাগ্যজনক। যাদবপুরের (বিশ্ববিদ্যালয়) যাতে উন্নতি হয়, যাদবপুর যাতে আরও স্বীকৃতি পায় সারা ভারতবর্ষে, এটা আমরা সবাই চাই। তাই এই ধরণের রিলগুলি লোকে ছড়াচ্ছে, উত্তেজিত হয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা কী সব যেন বলছে, অনেকটা একটু কমিক ব্যাপার আছে। 

 স্বপন দাশগুপ্ত কিছুটা আক্ষেপের সুরে বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বারবার ভুল কারণে খবরের শিরোনামে আসছে। এই ধরনের ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের জন্য খারাপ বার্তা তৈরি করে এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যাদবপুরের ঐতিহ্যের প্রতীক নন্দলাল বসুর তৈরি শিল্পকর্মটির প্রতিকৃতির অসম্মান করেছেন এবিভিপির কর্মী সমর্থকরা। প্রতীকটি ভেঙে যায়। এই ঘটনা কাম‍্য ছিল না বলেই মনে করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। 

তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের ছাত্র সংঘাতের কথা ঘটনা যাদবপুর বা রাজ‍্যের জন‍্য নেতিবাচক। ভুলভাল কারণে আবারও যাদবপুর শিরোনামে এল। আমি আশা করব, দ্রুত যাদবপুরে শান্তি ফিরবে। যাদবপুর উৎকর্ষের পথে অবিচল এগোতে পারবে, যাতে আমরা রাজ‍্যের শিক্ষা নিয়ে গর্ব করতে পারি।’