মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাড়ি থেকে না বেরোনোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, কিন্তু শুক্রবার দলের ছাত্র সমাবেশে যোগ দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শুধু যোগ দিলেন না নিজের মেজাজেই দেখা গেল তাঁকে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার এফআইআর দায়েরে করার নির্দেশ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

 মমতাপন্থী তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের সভায় উপচে পড়া ভিড় দেখা গেল। হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল রাস্তার একটা প্রান্ত খোলা রাখতে হবে কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসতেই জনস্রোতে রাস্তার অপর লেনটি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ফলে রাস্তার পাশের প্রান্তটিও ব্যবহার করতে হয় কিছুক্ষনের  জন্য। ফলে রাস্তা অবরুদ্ধ হয়। আর এতেই মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

 যাদবপুরে ১০০০০ কণ্ঠে বন্দেমাতারাম অনুষ্ঠানে শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বলেন আজকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে হাইকোর্টের নির্দেশ ভাঙলেন, রাস্তার একটা অংশ ছেড়ে সভা করতে বলা হয়েছিল কিন্তু গাছের নিচ থেকে কয়েকটা লোককে ডেকে এনে রাস্তা আটকে কি করলেন, আমি পুলিশকে বলেছি এফআইআর করতে এবং হাইকোর্টে মুভ করতে।

 এর আগে একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে পুলিশে মামলা করেছে। এবার স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিলেন পুলিশকে। হাইকোর্ট জনসমাগমের নির্দিষ্ট সংখ্যা বলে দিয়েছিল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ,অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে সভায় উপস্থিত থাকেন সেখানে নির্দিষ্ট জনসংখ্যায় মানুষ উপস্থিত থাকবেন এটা প্রত্যাশা করা ভুল। ফলে আবেগের বাঁধ ভাঙলো তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদের সভায়।

 একুশে জুলাই যেখানে শহিদ সমাবেশ হয়েছিল সেই একই জায়গায় সভা হলো শুক্রবার। এবারও প্রচুর জনসমাগম হলো। মানুষের ভিড়ে যান নিয়ন্ত্রণের কাজ ছিল পুলিশের। এই সভায় একটা সময় জনসমাগম সামলাতে নিজের হাতে মাইক তুলে নেন মমতা।  সভার কাজ বন্ধ রেখে নিজে ট্রাফিক কন্ট্রোল করেন। তাঁর নির্দেশে রাস্তায় নামেন কুণাল ঘোষসহ অন্য নেতারা। রাস্তায় আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সকে দ্রুত বার করে দিতেও উদ্যোগী হন।তারপর সভার ভিড় দেখেই এই এফআইআর! উঠছে প্রশ্ন।