শিক্ষক-শিক্ষা কর্মীদের মিছিলে অবরুদ্ধ ধর্মতলা। শুক্রবার ২০১৬ সালের প্যানেলে চাকরি বাতিল হওয়া শিক্ষাকর্মীদের একটা বড় অংশ মহামিছিলের ডাক দেয়। শিয়ালদা থেকে শুরু হয়ে এই মহামিছিল আসে ধর্মতলায়, সেখানে তাদের বিক্ষোভ প্রতিবাদে অবরুদ্ধ হয় রাজপথ।
১৭ মাস বন্ধ বেতন, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের প্রতিবাদ মিছিলে অবরুদ্ধ ধর্মতলা
শিক্ষক-শিক্ষা কর্মীদের মিছিলে অবরুদ্ধ ধর্মতলা। শুক্রবার ২০১৬ সালের প্যানেলে চাকরি বাতিল হওয়া শিক্ষাকর্মীদের একটা বড় অংশ মহামিছিলের ডাক দেয়।
Sponsored

নতুন সরকারের আমলেও কোন সুরাহা হয়নি তাদের সমস্যার। গত ১৭ মাস ধরে তারা বেতনহীন অবস্থায় রয়েছেন। এই অবস্থায় সংসার চালানো তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার পথে নামলেন শিক্ষক-শিক্ষা কর্মীদের একটা বড় অংশ। মিছিল থেকে তাদের কাতর আবেদন সরকারের কাছে যোগ্যরা চাকরি ফেরত পাক।
পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের অবস্থান বিক্ষোভ তুলতে বলা হলে পরিস্থিতি আরও রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। এই আন্দোলনে একজন শিক্ষা কর্মী আসেন বন্দির পোশাক পরে। তিনি বলেন, গত ১৫ মাস ধরে আমরা বেতন পাচ্ছি না আমরা কার্যত বন্দী হয়ে আছে। তাই এই পোশাক পরে এসেছি। আমরা সরকারের কাছে আবেদন করছি। দ্রুত আমাদের সমস্যার সমাধান করে বেতন পুনরায় চালু করার জন্য।
ক্ষমতায় আসার আগে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত জটিলতার সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর তিন মাস কেটে গিয়েছে। এখনও সমস্যা সেই তিমির এই পড়ে আছে। গত কয়েকদিন আগেই যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের অধিকার মঞ্চের পক্ষ থেকেও শোক মিছিল করা হয়।
যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের অধিকার মঞ্চের পক্ষ বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিকাশ ভবনে আন্দোলনে পুলিশের অকথ্য অত্যাচারের বিরুদ্ধে তৎকালীন তিনি তখন বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমাদের ধিক্কার সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রত্যয় এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আমাদের পাশে থাকবেন আজকে তিনি যখন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সেখানে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মীদের ওপর এই পুলিশী অত্যাচার এবং অকথ্য গালিগালাজ কার নির্দেশ হচ্ছে??? উনার প্রশাসনকে অবশ্যই সেই দায় ভার নিতে হবে। এটা প্রমাণিত হচ্ছে যেটা আমাদের কাছে খুব দুঃখজনক যে পরিবর্তন করেও আমরা কিন্তু সেই একই কিনারায়।যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের অত্যাচার এবং আন্দোলনের নেতৃত্বদের লালবাজারে আটকে রাখার তীব্র নিন্দা জানাই। তৃণমূল সরকারের মতন বিজেপি সরকারও যোগ্য শিক্ষকদের সম্মানের সঙ্গে স্কুলে না ফিরিয়ে তাদের আন্দোলনে পুলিশি অত্যাচার ও প্রতিবাদী যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মীদের গ্রেফতার করছে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













