না জানিয়েই এক থানা থেকে আরেক থানা, দমকল সদর দফতর সারপ্রাইজ ভিজিটে মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Chief Minister and Police Minister Suvendu Adhikari)। বন্দর এলাকার ওয়াটগঞ্জ ও একবালপুর থানায় (Watgunge and Ekbalpur Police Stations) যান তিনি। খতিয়ে দেখেন পুলিশ কীভাবে কাজ করেছে। সেখান থেকে রাজ্য পুলিশের সদর দফতর লালবাজারে (Lalbazar) যান। কথা বলেন নগরপাল অজয় নন্দের (Municipal Commissioner Ajay Nanda) সঙ্গে। পরে সেখান থেকে যান দমকলের সদর দফতরে।
একের পর এক থানা-দমকল দফতরে সারপ্রাইজ ভিজিট মুখ্যমন্ত্রীর! কথা বললেন নগরপালের সঙ্গেও
Sponsored

ওয়াটগঞ্জ থানাতেই থাকা ওয়াটগঞ্জ মহিলা থানার কাজকর্ম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। থানায় থাকা অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা (Fire Extinguishing System) কার্যকর রয়েছে কি না এবং সেগুলির এক্সপায়ারি ডেট নিয়মিত দেখা হয় কি না, সে বিষয়েও জানতে চান। পরে তিনি নিজেও সরেজমিনে সেই ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখেন।
এছাড়া থানায় পুলিশকর্মীরা কীভাবে কাজ করছেন, কীভাবে এফআইআর (FIR) নেওয়া হয়, ডিউটি অফিসার কী দায়িত্ব পালন করছেন, থানায় মোট কতজন পুলিশকর্মী রয়েছেন এবং রাউন্ডে কতজন রয়েছেন এসব বিষয়েও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশকর্মীদের কাছ থেকে তথ্য নেন মুখ্যমন্ত্রী। মহিলা হেল্প ডেস্ক (Women's Help Desk) কীভাবে কাজ করছে, সে সম্পর্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে বিস্তারিত জানেন। পাশাপাশি, মহিলা হেল্প ডেস্কের রেজিস্টারও খতিয়ে দেখেন তিনি।
বুধবার সকালে পূর্ত দফতরেও (Public Works Department) যান। বন্দর এলাকার থানাগুলি পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন ডিসি পোর্টও। আগে থেকে কোনও পরিকল্পনা ছিল না। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও (Health Minister Sharadwat Mukhopadhyay)। তিনি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (Medical College Hospital) গিয়েছেন। সেখানে তৃণমূল আমলে হাসপাতালগুলিতে দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













