তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রনেতা। এই সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-সহ সরকারি প্রকল্প না দেওয়া ও আগ্রাসী বিরোধী ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে নিন্দা করেন। শুক্রবার মঞ্চ থেকে বাংলায় ফের তৃণমূলের ক্ষমতায় ফেরার বার্তা দেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: রাখিতে কত কমল সোনা-রুপোর দাম, দেখুন একনজরে

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তীর্থরাজ বর্ধন বলেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা তাঁর ‘কথার দাম’ রাখা। তাঁর দাবি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার সবথেকে বড় গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা তার কথার দাম রেখেছে, ২০২১ সালে ভোটের আগে তিনি লক্ষ্মী ভাণ্ডারের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। ভোটের পর সেই প্রতিজ্ঞা তিনি রেখেছেন।  বিরোধী ছাত্র রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে তীর্থরাজ বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁরাও বিরোধী ছাত্র রাজনীতি করেছেন। তবে তাঁর অভিযোগ, সেখানে তো কোনও বিরোধী দলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের তো হামলা করতে সেখায়নি। কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর যাদবপুরে হামলা করেছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে প্রতিকূলতা এলেও পিছিয়ে গেলে চলবে না। তাঁর বক্তব্য, “যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা।” একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তাঁদের হাতে ইডি বা সিবিআই নেই, রয়েছে ‘হিম্মত’ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব।

অন্যদিকে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কৃষ্ণেন্দু ভট্টাচার্যও তাঁর বক্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-সহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষ পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে সেই সুবিধাগুলি বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকেই বাংলায় ‘সুশাসন’ ফিরিয়ে আনার প্রতিজ্ঞা করেন কৃষ্ণেন্দু। তাঁর বক্তব্যে আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার বার্তাও উঠে আসে।