বিধানসভার মার্শাল তথা সিকিউরিটি অফিসার দেবব্রত মুখোপাধ্যায়কে (Marshal and Security Officer Debabrata Mukhopadhyay) সাসপেন্ড (Suspend) করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য স্পিকারের হস্তক্ষেপ চাইলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Trinamool MLA Kunal Ghosh)। তাঁর আবেদন, স্পিকার নিজে বিষয়টি খতিয়ে দেখুন এবং প্রয়োজনে সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা করুন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, বিধানসভার ইতিহাসে এই প্রথম কোনও মার্শালকে এভাবে সাসপেন্ড করা হল। এই পদক্ষেপকে তিনি 'নজিরবিহীন' বলে উল্লেখ করে অভিযোগ করেছেন, যে কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাতে এই ধরণের শাস্তি দেওয়া যাই না।
বিধানসভার ইতিহাসে নজিরবিহীন: সাসপেন্ড মার্শাল, তীব্র বিরোধিতা তৃণমূলের
Sponsored

বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিধানসভার কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, ২০০৭ সাল থেকে দেবব্রত মুখোপাধ্যায় মার্শাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং একাধিক স্পিকারের আমলে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। এমনকি তাঁকে বিধানসভা থেকে মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছিল এই মার্শালকে দিয়েই। তবুও তিনি তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করেননি বরং এখন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঊর্ধ্বে উঠে মার্শালের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তিনি মনে করেন, মার্শালের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে।
কুণাল ঘোষের আরও অভিযোগ, শোকজের জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি প্রশাসনিক স্তরেই মিটিয়ে ফেলা যেত। তাঁর প্রশ্ন, বিধানসভার প্রধান সচিবের আদৌ মার্শালকে সাসপেন্ড করার এখতিয়ার রয়েছে কি না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এর নেপথ্যে অন্য কোনও উদ্দেশ্য বা রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অসদাচরণের অভিযোগে দেবব্রত মুখোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করেছে বিধানসভার সচিবালয়। ৪ আগস্ট জারি হওয়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, অষ্টাদশ বিধানসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির সময় দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সাসপেন্ড থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী জীবিকা ভাতা পাবেন।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













