সঙ্গীতের নন্দনতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করে পিএইচডি লাভ করা শতায়ু শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী অমিয়রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Classical Singer of Bishnupur gharana Amiyaranjan Bandyopadhyay) জীবনাবসান। বুধবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিষ্ণুপুর ঘরানার তালিমপ্রাপ্ত শিল্পী জন্ম শতবর্ষের দিনও মঞ্চে ৪০ মিনিট বেহাগ গেয়ে মুগ্ধ করেছিলেন শ্রোতাদের। কোমরের হাড় ভেঙে যাওয়ায় চলতি মাসের ৮ তারিখে SSKM হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন তিনি।পাঁচ দিন আগে তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। দিন দুয়েক আগে অনন্য-তে ভর্তি করাতে হয়। ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল তাঁকে । বুধবার সব লড়াই শেষ। ‘ম্যাসিভ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’-এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করলেন অমিয়রঞ্জন। শোকের ছায়া শাস্ত্রীয় সঙ্গীত মহলে।

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছিলেন সঙ্গীতজ্ঞ। বিষ্ণুপুর ঘরানায় তালিম পেয়ে বড় হলেও চিন্তাভাবনায় আধুনিক অমিয়রঞ্জন (Amiyaranjan Bandyopadhyay) শুধুমাত্র সেই ঘরানার বাঁধনে নিজেকে বেঁধে রাখেননি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবর্তনের পক্ষপাতী ছিলেন তিনি।কিছুদিন আগে পর্যন্তও মঞ্চে গেয়েছেন, শিষ্য-শিষ্যাদের গান শিখিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে শোকাহত অনুরাগীরা।