সালটা ছিল ২০২৪, শহর কলকাতার বুকে এক অন্য রকমের সুরেলা সফরের সূচনা করেছিলেন সুরকার জয় সরকার এবং গায়িকা লোপামুদ্রা মিত্র। শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে জয়-লোপা এক্সপ্রেসের (Joy Lopa Express) প্রতিটা মুহূর্তকে কানে মনে অনুভব করেছিলেন। দু'বছর পর ফের ফিরতে চলেছে সেই স্মৃতি। কারণ শহর কলকাতায় ফিরছে জয়-লোপা এক্সপ্রেস। আগামী ২৯ অগাষ্ট জি.ডি.বিড়লা সভাঘরে ছুটবে অন্য গানের গাড়ি, নিবেদনে বোরোলিন।

এক ভিন্ন ধারার সঙ্গীত উপস্থাপনার নাম বোরোলীন নিবেদিত 'জয়-লোপা এক্সপ্রেস: অন্য গানের গাড়ি'। গানের মোড়ে, মোড়ে নানা স্টেশন ছুঁয়ে এগিয়ে চলবে এই সফর। সিজন টু ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা। সুর ছন্দে ভরপুর এই গাড়িতে চড়লে এক সুন্দর গান সফরের সাক্ষী থাকবেন শ্রোতারা। এই প্রসঙ্গে লোপামুদ্রা বলেন, "জয়-লোপা এই জুটির ঊনত্রিশ বছরে পা দিল।সেদিক থেকে আমাদের এক্সপ্রেস বহুদিন ধরেই চলছে, কিন্তু সেটা নিয়মিত হয়ে ওঠেনা। জয় আগে গিটারিস্ট হিসেবে আমার গানে বাজাতো, অনেক দিন হলো ওঁর ব্যস্ততা , সুরকার হয়ে ওঠা আমাদের একসাথে আর গান-বাজনা হয়ে ওঠেনা। দুজনের রাস্তা দুজনের মতো চলতে থাকল। কিন্তু আমাদের মধ্যে একটা সঙ্গীতের সেতু বরাবর রয়ে গেছে। আমরা খুব ভালো বন্ধুও। আমিও একার অনুষ্ঠান করে আসছি, জয় স্টেজ শো তেমন করেননা। সেখান থেকেই এই ভাবনা। এখানে জয়ও ওঁর কম্পোজিশন শোনাবেন,আমিও ওঁর সুরের গান গাইবো, থাকবেন বেশ কিছু অতিথি যন্ত্রীরা। সব মিলিয়ে এই এক্সপ্রেস জয়-লোপা দুটো ইঞ্জিন নিয়ে ছুটে চলবে।"

জয় ব্যস্ত সুরের সৃষ্টিতে। অনুষ্ঠান ঘিরে তাঁর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে অপারগ সুরকার। শুধু বললেন, " আসলে লোপামুদ্রা মিত্রের হাত ধরেই আমার সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ। সেদিক থেকে দেখতে গেলে আমার সুরকার জীবনের পঁচিশ বছর পাড়। অনেক বছর এক সাথে মঞ্চে লোপাকে গিটারে সঙ্গত করেছি। সেটা তো এখন আর হয়না। সেই মুহূর্ত গুলো মিস করি।তাই,আমাদের এই অন্য ভাবনা জয়-লোপা এক্সপ্রেস।"