ভারতের 'বাঘ রাজ্য' নামে পরিচিত মধ্যপ্রদেশ। কিন্তু সেখানেই হু হু করে কমছে বাঘের সংখ্যা। একইসঙ্গে বন্যপ্রাণীর হামলায় পরপর মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। ২০২৬ সালের প্রথম ৮ মাসে মৃত্যু হয়েছে ৪৫টি বাঘের। ২০২৫ সালে মৃত্যু হয়েছিলে ৫৫টি বাঘের। পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর আক্রমণের মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। যার মধ্যে বাঘের হামলায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের।
মধ্যপ্রদেশের বন্যপ্রাণের গল্প এতদিন ছিল গর্বের। কিন্তু সেই ছবির পাশেই তৈরি হচ্ছে আরেকটি উদ্বেগজনক বাস্তবতা। চলতি বছর মানুষের মৃত্যুর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দায় বাঘের। বাঘের হামলায় মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। বুনো শুয়োরের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছে ৮ জন, হাতির হামলায় ৭ এবং ভালুকের আক্রমণে মারা গিয়েছে ৪ জন। চিতাবাঘের হামলায় মৃত এক। মৃতদের মধ্যে ১৬ জন মহিলা ও কিশোরী।
২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫-এই পাঁচ অর্থবর্ষে মধ্যপ্রদেশে বন্যপ্রাণীর হামলায় ৪০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বছরে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৯০, ৮০, ৮৬, ৭৯ এবং ৭১। ওই সময়ে আহত হয়েছেন ৫হাজার ৮০৪ জন। গবাদি পশু হারানোর ঘটনা ঘটেছে ৭২হাজার ৬২৭টি।
এদিকে রোগঅসুখ বা দুর্ঘটনার মতো কারণে বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া কিংবা চোরাশিকারির হামলার মতো কারণও রয়েছে। সব মিলিয়ে মানুষ, পশুর বিপন্নতার ছবিটা ভয় ধরাচ্ছে। এই বিষয়ে আরও সচেতনতা প্রয়োজন বলেই মনে করা হচ্ছে।
















