টাইফয়েডে আক্রান্ত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে(Abhijeet Dipke )। শনিবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে এমনই জানিয়েছেন তিনি। অভিজিৎ লিখেছেন, ‘আমার টাইফয়েড ধরা পড়েছে। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’
ওয়াংচুক অনশন ভাঙলে আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে শুক্রবার একটি নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠকে রাজি হয় কেন্দ্র। কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট নয় ককরোচ জনতা পার্টি। নিজেদের দাবিতে অনড় অভিজিৎ দীপকে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যাই হোক না কেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতেই হবে। সরকার যদি এই বিক্ষোভের সমাধান চায়, তবে তা শুধুমাত্র ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমেই সম্ভব। পদত্যাগ ছাড়া আর কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রসঙ্গত, দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে প্রতিবাদের ঢেউ মুম্বই, বেঙ্গালুরু, পাটনায় আগেই ছড়িয়ে পড়েছিল। এবার ‘ককরোচ’দের সমর্থনে প্রতিবাদে শুক্রবার উত্তাল হল কলকাতার প্রাণকেন্দ্র। ধর্মতলায় মিছিল পৌঁছলে বিভিন্ন দিক থেকে অনেকে এসে জড়ো হন সেখানে। প্রতিবাদীদের ভিড়ে কিছুক্ষনের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ‘নিট’ প্রশ্নফাঁসের জেরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ডাকে দিল্লিতে অবস্থান–বিক্ষোভ চলছে প্রায় এক মাস ধরে।
শুক্রবার সিজেপি–র তরফে কলকাতাতেও জমায়েতের ডাক দেওয়া হয় যদিও সকাল পর্যন্ত পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় তারা মিছিলের ডাক প্রত্যাহার করে নিচ্ছে বলে জানানো হয়। বলা হয়, সিজেপি–র কেউ আগ্রহী হলে তিনি বাম ছাত্র–যুব সংগঠনগুলির মিছিলে অংশ নিতে পারেন। এসএফআই, ডিওয়াইএফআই, ডিএসও, আইসা–র মতো বাম ছাত্র–যুব সংগঠনগুলির তরফে আগেই দিল্লির প্রতিবাদীদের সমর্থনে এদিন শিয়ালদহ থেকে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত। সিনিয়র পুলিশ অফিসারদের নেতৃত্বে র্যাফ, রোবোকপও মোতায়েন করা হয়েছিল। তৈরি ছিল জলকামানও। তবে রাত ন’টা নাগাদ সেই জমায়েত তুলে নেওয়া হয় বলে খবর।
















