উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে গাড়ি ডিভাইডারে ধাক্কা খাওয়ার ফলে নিহত হয়েছেন গ্যাংস্টার-রাজনীতিবিদ আতিক আহমেদের কনিষ্ঠ ও পঞ্চম পুত্র আবান আহমেদ। ৬ আগস্ট ঝাঁসি-কানপুর জাতীয় মহাসড়কে পুঞ্চ থানা এলাকায় প্রয়াগরাজ থেকে ঝাঁসিতে জেলবন্দি ভাইকে দেখতে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আবানসহ আরও দুজন নিহত হন এবং তিনজন গুরুতর আহত হন। বন্ধুদের সাথে একটি সাদা ক্রেটা গাড়িতে করে যাওয়ার সময় আবান দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।
পুলিশ সূত্রে খবর, আবান যখন ঝাঁসিতে তার ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন তখনই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আতিকের পাঁচ ছেলে। বড় ছেলে উমর আহমেদ লখনউ কারাগারে এবং আলি আহমেদ ঝাঁসি কারাগারে বন্দি। তৃতীয় ছেলে আসাদ ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঝাঁসিতে পুলিশের সঙ্গে এক সংঘর্ষে নিহত হন। চতুর্থ ছেলে আহজাম বর্তমানে কারাগারের বাইরে আছেন। আর পঞ্চম ছেলে আবান আজ এক দুর্ঘটনায় মারা যান।
সিনিয়র পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট বিবিজিটিএস। মূর্তি এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে জানান, সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ পুলিশ খবর পায় যে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় একটি এসইউভি (SUV) রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা দিয়েছে। এই দুর্ঘটনায় দুজন নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতরা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল, সাংবাদিকের ছদ্মবেশে আসা তিন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন প্রাক্তন সাংসদ ও সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাই আশরাফ। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে পুলিশ যখন তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের সময় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। আতিক আহমেদের বিরুদ্ধে হত্যা, জুলুমবাজি ও অপহরণসহ বহু অপরাধমূলক মামলার দীর্ঘ ইতিহাস ছিল। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
















