কলকাতা ২৭°সে
ব্রেকিং
চুক্তি না রাখলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি,  FIR প্রত্যাহারে লিগ্যাল সেল গঠন CJP-এরপ্রশ্নফাঁস রোধে বিল পেশ লোকসভায়, বিরোধীদের হট্টগোলে উত্তপ্ত সংসদআমরা করে দেখিয়েছি: ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় প্রথম জয় CJP-এর! কী জানালেন অভিজিৎদেশজুড়ে প্রবল আন্দোলনের চাপে অবশেষে ইস্তফা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানেরমোদির এক রিল পোস্টেই  বিশ্ব রেকর্ড! ২৪ ঘন্টায় অবাক করা ভিউNEET ইস্যুতে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্র! কী শর্ত দিলেন কিরেণ রিজিজুপ্রশ্নফাঁসে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে তদন্তের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, 'আগে শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করুন' পাল্টা পোস্ট রাহুলেরশিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে কালো পোশাক পরে সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভ সাংসদদেরককরোচদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদ করে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-অখিলেশ! মোদির বাসভবনের সামনে উত্তেজনাCJP-র অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার সংসদ থেকে যন্তরমন্তর, অভিজিৎ-কে তুলে নিয়ে গেল দিল্লি পুলিশচুক্তি না রাখলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি,  FIR প্রত্যাহারে লিগ্যাল সেল গঠন CJP-এরপ্রশ্নফাঁস রোধে বিল পেশ লোকসভায়, বিরোধীদের হট্টগোলে উত্তপ্ত সংসদআমরা করে দেখিয়েছি: ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় প্রথম জয় CJP-এর! কী জানালেন অভিজিৎদেশজুড়ে প্রবল আন্দোলনের চাপে অবশেষে ইস্তফা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানেরমোদির এক রিল পোস্টেই  বিশ্ব রেকর্ড! ২৪ ঘন্টায় অবাক করা ভিউNEET ইস্যুতে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্র! কী শর্ত দিলেন কিরেণ রিজিজুপ্রশ্নফাঁসে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে তদন্তের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, 'আগে শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করুন' পাল্টা পোস্ট রাহুলেরশিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে কালো পোশাক পরে সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভ সাংসদদেরককরোচদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদ করে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-অখিলেশ! মোদির বাসভবনের সামনে উত্তেজনাCJP-র অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার সংসদ থেকে যন্তরমন্তর, অভিজিৎ-কে তুলে নিয়ে গেল দিল্লি পুলিশ
দেশ

দলত্যাগী ২০ সাংসদের পদ খারিজ করুন: স্পিকারের কাছে দাবি অভিষেকদের

এদিন দাবি নিয়ে ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন অভিষেকরা। সঙ্গে ছিলেন সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্ররা। দলবিরোধী কাজের জন্য তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জনের সাংসদপদ খারিজের আবেদন দ্রুত বাস্তবায়িত করার দাবি জানান অভিষেকরা।

দলত্যাগী ২০ সাংসদের পদ খারিজ করুন: স্পিকারের কাছে দাবি অভিষেকদের

তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যাওয়া ২০ জনের সাংসদপদ দ্রুত খারিজ করতে হবে। এই দাবি নিয়ে সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Speaker Om Birla) সঙ্গে দেখা করল তৃণমূলের সংসদীয় দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নেতৃত্বাধীন দল। 

Sponsored

Sranchi In Article

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল (TMC) ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়া পরে কাকলি ঘোষদস্তিদারের নেতৃত্বে একে একে ২০ সাংসদের তৃণমূল ত্যাগ করে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়াতে (NCPI) যোগ দেন। এর পরে স্বীকৃতির আর্জি জানিয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে দফায় দফায় দরবার করেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কিন্তু এখনও স্বীকৃতি দেননি লোকসভার স্পিকার। এদিকে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে যেভাবে ২০ সাংসদ অন্য দলে যোগ দিয়েছেন, তাকে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় এনে তাঁদের সাংসদপদ খারিজের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল। 

এদিন দাবি নিয়ে ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন অভিষেকরা। সঙ্গে ছিলেন সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্ররা। দলবিরোধী কাজের জন্য তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জনের সাংসদপদ খারিজের আবেদন দ্রুত বাস্তবায়িত করার দাবি জানান অভিষেকরা। 

স্পিকারকে দেওয়া চিটিতে অভিষেক লেখেন, “ভারতের সংবিধানের দশম তফশিলের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং ‘লোকসভার সদস্য (দলত্যাগের কারণে অযোগ্যতা) বিধিমালা, ১৯৮৫’-র ৬ নম্বর বিধির আওতায় ১৯ জুন, ২০২৬ তারিখে দায়ের করা অযোগ্যতা সংক্রান্ত আবেদনগুলির প্রেক্ষিতে আমি এই চিঠিটি লিখছি; উক্ত আবেদনগুলিতে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ (AITC)-এর প্রতীকে নির্বাচিত ২০ জন সংসদ সদস্য দলত্যাগের কারণে অযোগ্য হয়েছেন—এই মর্মে ঘোষণার আর্জি জানানো হয়েছে।“

 অভিষেক জানান, “আবেদনের সঙ্গে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপিও দাখিল করা হয়েছিল, যেখানে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের অযোগ্য ঘোষণার পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্যগত ও আইনি ভিত্তি তুলে ধরা হয়। এই সদস্যরা তথাকথিত ‘এনসিপিআই’ (NCPI)-এর সাথে নিজেদের যুক্ত করেছেন—যা একটি অস্বীকৃত রাজনৈতিক সংগঠন এবং যার দেশের পার্লামেন্ট বা কোনও রাজ্যের বিধানসভায় কোনও প্রতিনিধিত্ব বা স্বীকৃত মর্যাদা নেই। স্মারকলিপিতে স্পষ্টভাবে দেখানো হয়েছে যে, কেন তাঁদের আচরণ সংবিধানের দশম তফসিলের (Tenth Schedule) বিধানাবলি সরাসরি কার্যকর করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে এবং কেন লোকসভা থেকে তাঁদের অবিলম্বে অযোগ্য ঘোষণা করা প্রয়োজন।“

লোকসভার তৃণমূলের সংসদীয় দলনেতার কথায়, “আবেদনপত্র দাখিলের পর পাঁচ সপ্তাহেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত কোনও নোটিশ জারি করা হয়নি, কোনও শুনানির দিন ধার্য করা হয়নি এবং কোনও কার্যপ্রণালী-সংক্রান্ত নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয় না। এ ধরনের দীর্ঘস্থায়ী নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এটি প্রতিষ্ঠিত যে, দলত্যাগ-বিরোধী আইনের কার্যকারিতা ও উদ্দেশ্য অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে দশম তফশিলের ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে মাননীয় স্পিকারের ওপর ন্যস্ত সাংবিধানিক একতিয়ার একটি যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে প্রয়োগ করা আবশ্যক। অহেতুক দীর্ঘ সময় ধরে অযোগ্যতা-সংক্রান্ত কার্যক্রম অনিষ্পন্ন অবস্থায় পড়ে থাকলে তা দশম তফশিলের সাংবিধানিক উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে, সংবিধান যে অনিশ্চয়তা এড়াতে চায় তাকে দীর্ঘায়িত হতে দেয় এবং দলত্যাগ-বিরোধী আইনে অন্তর্ভুক্ত সুরক্ষাকবচগুলোকে অকার্যকর করে তোলার ঝুঁকি তৈরি করে।“ 

অভিষেক আর্জি জানান, “আমি বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি যেন আবেদনগুলির শুনানির বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়। যেহেতু প্রতিটি আবেদন একজন নির্দিষ্ট সদস্যের অযোগ্যতা সংক্রান্ত এবং এতে ঘটনা ও প্রযোজ্য আইনের ভিত্তিতে স্বতন্ত্রভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে, তাই আমি আরও অনুরোধ করছি যে—স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ ও তাদের আইনি প্রতিনিধিদের বক্তব্য উপস্থাপনের পূর্ণ ও কার্যকর সুযোগ প্রদানের পরে—২০টি আবেদনের প্রতিটি যেন পৃথকভাবে শুনানি ও নিষ্পত্তি করা হয়।“

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

আরও পড়ুন

More from দেশ

View All →