সারা দেশের সঙ্গে শনিবার থেকে পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হচ্ছে জনগণনার(Census 2027) প্রথম পর্যায়। ডিজিটাল পদ্ধতিতে দু'ধাপে সম্পন্ন হবে জনগণনার কাজ। প্রথম পর্যায়ে ১ অগস্ট থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত নাগরিকেরা অনলাইনে (https://se.census.gov.in) স্ব-সুমারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করতে পারবেন।
এর পর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হবে প্রকৃত জনসংখ্যা গণনার পর্ব। সেই সময় প্রতিটি পরিবারের সদস্যের নাম, বয়স, লিঙ্গ, জাতি, ধর্ম-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত জনগণনার তথ্যভান্ডার তৈরি হবে।
জনগণনার জন্য রাজ্যে প্রস্তুতি তুঙ্গে। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ব-সুমারির জন্য নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে নাগরিকেরা প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে পারবেন। এর পর দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৬ অগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ি তালিকাভুক্তি এবং গৃহগণনার কাজ করবেন গণনাকারীরা।জনগণনার কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসনিক স্তরে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। ডিজিটাল স্ব-সুমারি ব্যবস্থার ফলে নাগরিকদের অংশগ্রহণ যেমন বাড়বে, তেমনই তথ্য সংগ্রহের কাজও আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে বলে প্রশাসনের আশা।
জনগণনার প্রস্তুতি হিসেবে কলকাতা শহরকে মোট ৮,১১২টি গণনা ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ব্লকে নির্দিষ্ট গণনাকারী ও তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে সমগ্র প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, নির্ভুল এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা যায়।
এই কাজের জন্য জেলায় ৩৭টি চার্জ অফিস গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৯টি ব্লক, ৭টি পৌরসভা এবং ১টি শিল্পাঞ্চল টাউনশিপ। কাজের সুবিধার্থে মোট ১৪ হাজার, ৩৯৯টি হাউস লিস্টিং ব্লক তৈরি করা হয়েছে।
জেলাস্তরেও প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায় জনগণনার জন্য ১৭ হাজার ২২২ জন গণনাকারী এবং ২ হাজার ৯৩৯ জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে। কাজের মান নিশ্চিত করার জন্য জেলা মাস্টার ট্রেনার এবং জেলা জনগণনা অফিসের মাধ্যমে ২৭৬ জন ফিল্ড ট্রেইনারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
অনলাইন ফর্মে কোনও নথি চাওয়া হবে না।পোর্টালে SAQ এবং MCQ টাইপের প্রশ্ন থাকবে। ৩৩ রকমের প্রশ্ন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তার কমও বা বেশি হতে পারে।তথ্য আপলোড করার পর এডিট করার অপশন নিয়ে ভাবনা রয়েছে। অবশ্য পরবর্তীতে আবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
















