গণ আন্দোলন থেকে রাজনীতির আঙিনায় এসে সফল হয়েছেন অনেকেই। সাম্প্রতিক সময়ে এর সবথেকে বড় উদাহরণ অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আন্না হাজারের লোকপাল আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন কেজরিওয়াল, সেখান থেকেই আম আদমি পার্টি গঠন করে হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। আপের দেখানো পথেই হাঁটবে ককরোচ জনতা পার্টি(CJP)? আগামী দিনের ভোটের লড়াইতে দেখা যাবে সিজেপি নেতাদের?

সিজেপির আন্দোলনের চাপেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এবার সরাসরিতে রাজনীতিতে আসবেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন সিজেপি নেতারা।

দলের প্রতিষ্ঠার পরই অভিজিৎ দীপকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, সরাসরি ভোট রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তবে  এই আন্দোলনের পর তাঁর মতের যে বদল হতে পারে তার আভাসও দিয়ে রেখেছেন । সৌরভ দাস বলছেন, 

সিজেপির বাঙালি নেতা তথা মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, "দেশে ৭৫০-৮০০ মূল ধারার রাজনৈতিক দল রয়েছে। কেউই যুবসমাজের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি।আপাতত যুব সমাজের এই আন্দোলনকে তৃণমূল স্তরে নিয়ে যেতে হবে। আগামী দিনে যারাই ক্ষমতায় থাকুন না কেন তারা যেন যুব সমাজের চাহিদা পূরণ করেন।"

আরও এক নেতা আশুতোষ রাঙ্কা সরাসরি রাজনীতিতে যোগদানের প্রসঙ্গে বলেছেন, “ বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে কোনও সম্ভাবনাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অন্তত আমার সেটাই মনে হয়।আপাতত বাড়ি ফিরে একটু বিশ্রাম নিতে চাই। দু মাস বাড়ি যায়নি।”

 

সরাসরি দল হিসাবে ককরোচ জনতা পার্টি রাজনীতিতে যোগ না দিলেও ‘ককরোচ’ নেতারা নিজেদের মতো করে রাজনীতির ময়দানে নামতেই পারেন