জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল গোটা দেশ। এসআইআর (SIR) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) উদাসীনতা নিয়েও সরব হয়েছে রাজনৈতিক মহল। আর সেই আবহেই চাপে পড়ে ফর্ম ৬ নিয়ে পিছু হটতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন। নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে গিয়ে এত দিন ফর্ম ৬-এর সঙ্গে একটি অতিরিক্ত ঘোষণাপত্রও পূরণ করতে হচ্ছিল। তবে এসআইআর-এর কাজ যে সব রাজ্যে ইতিমধ্যেই শেষ, সেখানে আর এই বাড়তি প্রক্রিয়া থাকছে না। বুধবার থেকেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির ইসিআইনেট (ECI-Net) পোর্টাল এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের ওয়েবসাইট থেকে ঘোষণাপত্রটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুন: Asian Games: সোনার মেয়ে নীরু, শুটিংয়ে ভারতের পদক জয় সাফল্যের অব্যাহত

অর্থাৎ, ওই রাজ্যগুলিতে নতুন ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করতে ইচ্ছুকদের জন্য নিয়ম অনেকটাই আগের জায়গায় ফিরল। আবেদনকারীদের শুধু ১৯৬০ সালের ভোটার নিবন্ধন সংক্রান্ত নিয়মে নির্ধারিত ফর্ম ৬ জমা দিতে হবে। পরিবারের কোনও সদস্যের নাম পুরনো ভোটার তালিকায় কোথায় ছিল, তার সঙ্গে নিজের যোগসূত্র দেখিয়ে আলাদা করে ঘোষণা দেওয়ার প্রয়োজন আর থাকছে না। 

আরও পড়ুন: মিলল সাদ্দাম হোসেনের কথা! বাধ্য হয়ে ২০ বছর পর মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ইরাক থেকে

তবে এখনও যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে, সেখানে ছবিটা আলাদা। ওই এলাকাগুলিতে নতুন ভোটারদের জন্য অতিরিক্ত ঘোষণাপত্রের ব্যবস্থা আপাতত বহাল থাকছে। অর্থাৎ, এসআইআর চলাকালীন পুরনো ভোটার তালিকার সঙ্গে নিজের বা পরিবারের যোগসূত্র সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে আবেদনকারীদের। 

এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে ২৬ সেপ্টেম্বরের পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন কমিশনের বৈঠক। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশীর বৈঠকে স্পষ্ট করা হয়, অতিরিক্ত ঘোষণাপত্রটি সাধারণ ভোটার নথিভুক্তির নিয়মের অংশ নয়। এটি শুধুমাত্র এসআইআর-এর সময় ব্যবহার করার জন্যই রাখা হয়েছিল। তাই এসআইআর শেষ হয়ে গেলে সাধারণ সময়ে নির্ধারিত ফর্ম ৬-ই কার্যকর থাকবে। ফলে এসআইআর শেষ হওয়া রাজ্যগুলিতে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া ফের তুলনামূলক সরল হল।