ভোট লুঠ করে জেতার জন্য মোদি-শাহ ব্যবহার করছে নির্বাচন কমিশনকে। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, "এ কথাগুলো এতদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বলছিল, এখন বলছেন কমিশনের সদস্যরাই। নিশ্চিতভাবে তাদের কাছে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণ আছে। দেশে ভোট চুরি হয়েছে। একের পর এক রাজ্যে ভোট কেটে বিজেপি জিতেছে। বাংলায় আরও বেশি হয়েছে।"
বুধবারের বৈঠকে বিরোধী জোটের প্রায় সব নেতাই উপস্থিত ছিলেন। হেমন্ত সোরেন ও উদ্ধব ঠাকরে ছিলেন ভিডিও কনফারেন্সে। আসতে পারেননি অখিলেশ যাদব। বার্তা পাঠিয়ে পাশে থাকার কথা জানিয়ে দেন।
তবে এদিনের বৈঠকে নিশ্চিতভাবে মধ্যমণি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী জোট মানেই যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামনের সারিতে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন দিল্লিতে চর্চা তৃণমূল নেত্রীর আগুনে সাংবাদিক সম্মেলন নিয়ে। আসলে তৃণমূলনেত্রীই ইন্ডিয়ার সুরটা বেঁধে দেন সাংবাদিক সম্মেলনে। যেভাবে তিনি টেবিলের উপর হাত ঠুকে জ্ঞানেশ কুমার মাস্ট ক্যুইট-বলে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন, তা আসলে বৈঠকের স্পিরিটটাকেই তুলে ধরেছে। মমতার পাশে বসে সোনিয়া গান্ধীও বারবার মাথা নেড়ে সমর্থন জানাচ্ছিলেন। সভার বক্তা ছিলেন তিনজন। প্রথমে খাড়গে, তারপর মমতা এবং শেষ রাহুল গান্ধী। আসলে এই সমীকরণই বুঝিয়ে দিয়েছে, দেশের রাজনৈতিক মহলের কাছে আজও একইরকমভাবে গুরুত্বপূর্ণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
















