এসএফআই (SFI) নেত্রী ঐশী ঘোষকে (Aishe Ghosh) গ্রেফতার করাতে সিপিআই(এম) সদর দফতর একেজি ভবনে দিল্লি পুলিশ। রুখে দাঁড়ালেন CPIM-এর রাজ্যসভা সাংসদ জন ব্রিটাস (John Brittas)। অভিযোগ, ২০২১ সালের একটি মামলায় ঐশিকে ধরতে মঙ্গলবার বিকেলে একেজি ভবনে যায় দিল্লি পুলিশের একটি টিম যায়। যদিও এসএফআই নেত্রীকে পাওয়া যায়নি। এর পরেই স্যোশাল মিডিয়ায় সেই ঘটনার ভিডিও পোস্ট করে তীব্র নিন্দা করে সিপিএম।
ঐশী ধরতে একেজি ভবনে দিল্লি পুলিশ! রুখে দাঁড়ালেন CPIM সাংসদ, দমনের তীব্র নিন্দা বামেদের
এর পরেই স্যোশাল মিডিয়ায় সেই ঘটনার ভিডিও পোস্ট করে তীব্র নিন্দা করে সিপিএম।
Sponsored

সিপিএম-এর পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট (Social Media Post) করে অভিযোগ করা হয়, ঐশীকে গ্রেফতার করতে সিপিআই(এম) সদর দফতর ‘একেজি ভবন’-এ (AKG Bhavan) বেআইনিভাবে ঢোকার চেষ্টা করে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ বলে উল্লেখ্য করে সিপিএম। তাদের তরফে পোস্ট করা ভিডিও-তে (ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি বিশ্ববাংলা সংবাদ) দেখা যায়, একেজি ভবনে পুলিশের পথ আগলে দাঁড়িয়ে তাঁদের সঙ্গে বাদানুবাদ করছেন জন ব্রিটাস। বারবার তাঁকে প্রশ্ন করতে দেখা যায়, কী করে বিনা অনুমতিতে বা আগে থেকে না জানিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের সদর দফতরে ঢুকল পুলিশ! পোস্টে সিপিএম দাবি করে, “পুলিশ একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে আসে, তাদের মধ্যে কয়েকজনের ইউনিফর্ম ছিল না এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর তারা চলে যায়।“
এর পরেই মোদি সরকারের নিশানা করে বামেরা পোস্টে লেখে, “একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে এই নির্লজ্জ অনুপ্রবেশ এবং ছাত্র বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিহিংসামূলক অভিযান গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর মোদি সরকারের ক্রমবর্ধমান আক্রমণকে উন্মোচিত করে। ছাত্রদের ন্যায্য উদ্বেগের সমাধান করার পরিবর্তে, রাষ্ট্র ভিন্নমতকে ভয় দেখাতে, স্তব্ধ করতে এবং অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে পুলিশি ক্ষমতা ব্যবহার করছে।“
সিপিএম সাংসদ ব্রিটাস এবং অন্যান্যরা পুলিশকে যখন চ্যালেঞ্জ করেন, তখন তারা ফিরে যায়। অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরেই ঐশী ঘোষের উপর টানা নজরদারি চালানো হচ্ছে। এটা ছাত্রনেতৃত্বকে ভয় দেখানোর নিন্দনীয় প্রচেষ্টা বলে অভিযোগ করে বামেরা।
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সিপিএম লেখে, “গণতন্ত্রে এই ধরণের পদ্ধতির কোনও স্থান নেই। ছাত্রদের ন্যায্য দাবির জবাব দেওয়ার পরিবর্তে, মোদি সরকার ভিন্নমতকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া কণ্ঠগুলোকে স্তব্ধ করতে পুলিশকে ব্যবহার করছে। গণতান্ত্রিক অধিকারকে পদদলিত করার যেকোনও প্রচেষ্টাকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিরোধ করব।“
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













