ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগের পর এবার ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janata Party) পথে হাঁটল E20 Janta Party। সরকারের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে ইথানল মেশানো পেট্রোলের পরিবর্তে ১০০ শতাংশ পেট্রোলের সুবিধা চাইল এই দল। দেশের পেট্রোল পাম্পগুলিতে বাইক ও গাড়ির চালকদের বাধ্যতামূলকভাবে E20 পেট্রোল নিতে হয়। কিন্তু গ্রাহকদের কোনমতেই ১০০ শতাংশ পেট্রোল নেওয়ার কোনও সুবিধা দেওয়া হয় না। চালকদের স্বার্থে এবার সেই দাবিই তুলছে E20 Janta Party। 

জানা যাচ্ছে E20 Janta Party একটি উপভোক্তা সুরক্ষা আন্দোলনের মঞ্চ যা আপাতত সোশ্যাল মিডিয়াতেই (Social Media) সীমাবদ্ধ। এই মুহূর্তে দেশজুড়ে ভারতে জ্বালানি নীতি নিয়ে বিন্দুমাত্র স্বচ্ছতা নেই। ক্রেতারা চাইলেও ১০০ শতাংশ পেট্রোল কিনতে পারছে না। উল্টে ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছে যার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ইঞ্জিন, দায় নিচ্ছেন ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলোও (Insurance company)। ক্রেতাদের নিজের পছন্দ মতো জ্বালানির অধিকার দিতে এই আন্দোলন বলেই মনে করা হচ্ছে। মূলত তিনটি দাবি তুলে আনা হচ্ছে। ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী জ্বালানি নির্বাচনের অধিকার, জ্বালানি নীতি নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন, অর্থাৎ ইথানল মেশানো জ্বালানিতে অন্য কিছু মেশানো যাবে না, ক্রেতাকে প্রোডাক্টের বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা দিতে হবে।

E20 Janta Partyর দাবি, ই-২০ পেট্রোলের পাশাপাশি যেন ১০০ শতাংশ পেট্রোলও দেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা করা হয় সরকারের তরফে। কোনও জ্বালানিতেই ভর্তুকি চাইছে না এই পার্টি। পেট্রোল, ডিজেলেও ফ্রিতে চাইছে না তবে তদের দাবি, ক্রেতা যেন পেট্রোল পাম্পে ১০০ শতাংশ পেট্রোল কিনতে পারে। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে এই পোস্টকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অভিজিৎ দীপকে এই বিষয়ে জানিয়েছেন, 'যদি সব ককরোচরা এক জায়গায় একত্রিত হয়, তাহলে কেমন হবে'। প্রসঙ্গত, E20 পেট্রোল নিয়ে অনেকদিন ধরেই অভিযোগ করছে বিরোধীরা। দাবি করা হচ্ছে, ইথানল মিশ্রিত এই পেট্রোলে গাড়ির যন্ত্রাংশের ক্ষতি হচ্ছে। মাইলেজেও কমে যাচ্ছে।