গুঁড়ো মশলার গুণমান নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার। এভারেস্ট ফুড প্রোডাক্টসের জিরেগুঁড়োর একটি নির্দিষ্ট ব্যাচ পরীক্ষায় নির্ধারিত খাদ্য নিরাপত্তা মান পূরণ করতে পারেনি। গোয়া থেকে সংগ্রহ করা ওই নমুনায় অনুমোদিত সীমার তুলনায় বেশি পরিমাণে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাচ বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSIA)।

আরও পড়ুন: মাইনে দিতে না পারায় স্কুল থেকে বহিষ্কার! সেই সলমন আজ ৩ হাজার কোটির মালিক

গোয়ার থেকে এভারেস্টের জিরেগুঁড়োর (Cumin powder) নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরীক্ষায় তাতে অ্যাজোক্সিস্ট্রোবিন ও থায়ামেথোক্সাম এই দুই কীটনাশকের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার তুলনায় অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বেশি হওয়ায় নমুনাটিকে খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ওই নির্দিষ্ট ব্যাচের জিরেগুঁড়ো নিরাপদ নয় বলে চিহ্নিত করে। 

প্রথম পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে অবশ্য আপত্তি জানায় এভারেস্ট ফুড প্রোডাক্টস। সংস্থার বক্তব্য বিবেচনায় নিয়ে নমুনাটি পুনরায় পরীক্ষার জন্য রেফারেল ফুড ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও আগের রিপোর্টের ব্যতিক্রম কিছু পাওয়া যায়নি। ফলে প্রথম পরীক্ষায় উঠে আসা অভিযোগই কার্যত বহাল থাকে এবং সংশ্লিষ্ট জিরেগুঁড়ো খাদ্য হিসেবে নির্ধারিত মানে উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

আরও পড়ুন: আচমকা নিখোঁজ! ছাদে জলের ট্যাঙ্কে মিলল শিশুর দেহ

পরপর দুই পরীক্ষায় একই ধরনের ফল পাওয়ার পরই ব্যবস্থা নেয় এফএসএসএআই। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী, পরীক্ষায় চিহ্নিত ব্যাচের জিরেগুঁড়োই বাজার থেকে তুলে নিতে হবে। তবে সংস্থার অন্যান্য ব্যাচের জিরেগুঁড়ো এই নির্দেশের আওতায় পড়ছে না। পাশাপাশি নির্দেশটি দ্রুত কার্যকর করার কথাও জানানো হয়েছে।