ককরোচ জনতা পার্টি এবং দেশজুড়ে ছাত্র যুবদের আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান( Dharmendra Pradhan )। পদত্যাগ করলেও দল এবং সরকার যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পাশে আছে তা বুঝিয়ে দিলেন অমিত শাহ(Amit Shah)।  NEET-UG ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তৈরি হওয়া ক্ষোভ ও আন্দোলনের মধ্যেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে সরকারের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন বলেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অমিত শাহ লিখেছেন, “বিজেপি কর্মীদের কাছে যেকোনও পদের চেয়ে দেশ, যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ সেই নীতির আরও একবার বাস্তবায়ন করল। মন্ত্রিসভার সহকরর্মীকে নিয়ে শাহ বলেন, শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের মেয়াদ ছিল ভারতের উন্নত দেশ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতি তাঁর নিষ্ঠার প্রমাণ।’

 

একই শাহী বার্তায় উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার ছাত্রছাত্রীদের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশ্নফাঁসের মতো অনিয়ম রুখতে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মোদি সরকার দেশের যুবসমাজের অনুভূতিকে সম্মান করে। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী  যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। 

শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে  ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা  দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই  রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর নতুন  কোনও মন্ত্রীকে  নয়, শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রহ্লাদ যোশীকে এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার।