৪ মাসে ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড! বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে বিজেপি শাসিত ডবল ইঞ্জিন রাজ্য উত্তরপ্রদেশে (BJP State UP)। আইনজীবী এবং মামলাকারীদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, ওই বিচারকের আদালতে বিচার হলেই হতে পারে মৃত্যুদণ্ড। রেয়ারেস্ট অফ দ্য রেয়ার-নীতির প্রয়োগ নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। স্বাভাবিকভাবেই সংশয় দেখা দিতে পারে বিচারব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও। কারণ, মাত্র ৪ মাসে ১০টি পৃথক মামলায় ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ওই বিচারক। শুধুমাত্র এই কারণেই উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক রবিকুমার দিবাকরের আদালত থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ১০০টি খুন-সহ গুরুতর ফৌজদারি মামলা। মামলাগুলো পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে মুজফফরনগরের জেলা জজ বীরেন্দ্র কুমার সিংয়ের আদালতে।
বিচার মানেই মৃত্যুদণ্ড! বিতর্কিত যোগীরাজ্যের বিচারকের এজলাস থেকে সরল ১০০ ফৌজদারি মামলা
Sponsored

সরকারি আইনজীবী কুলদীপ কুমার জানিয়েছেন, যেসব মামলায় মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবনের বিধান রয়েছে, মূলত সেই মামলাগুলোই সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে দিবাকরের ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত থেকে। জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রমোদ ত্যাগী জানালেন, আসলে দিবাকরের আদালতকে কেন্দ্র করে একটা অদ্ভুত আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল আইনজীবীদের মধ্যেও। তার উপর গত এপ্রিল থেকে অগাস্ট পর্যন্ত ১০টি মামলায় ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। মামলাগুলো খুন, অপহরণ এবং ডাকাতির মতো গুরুতর অপরাধ সংক্রান্ত। নালসার ইউনিভার্সিটির একটি রিপোর্ট বলছে, ২০২৫ সালে গোটা উত্তরপ্রদেশের ট্রায়াল কোর্টগুলো ২০টি মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে মোট ২৮টি। তার মানে দাঁড়াচ্ছে, মুজফফরনগরের একটি আদালতই মাত্র ৪ মাসে যতগুলো মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে তা আগের বছরের গোটা রাজ্যের সংখ্যার কাছাকাছি।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored












