কেন্দ্রীয় সরকার ৫টি দাবি মেনে নেওয়ার পর নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৬ দিন ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। শনিবার ২৫ জুলাই একটি সাংবাদিক বৈঠকে এই আন্দোলন সমাপ্তির ঘোষণা করা হয়। শুধু তাই নয়, আলোচনা শেষে সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে সরকার তাঁদের সমস্ত দাবি মেনে নিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত পুলিশি মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহার করে নেওয়া এবং পরীক্ষার অনিয়মে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। 

সেই সময়ে দেখা যায়, সরকারের আশ্বাসের পর সিজেপি আন্দোলন কর্মসূচি শেষ করে। যন্তর মন্তরে অবস্থানরত সমস্ত বিক্ষোভকারীকে শান্তিপূর্ণভাবে ফিরে যাওয়ার কথা জানানো হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র অন্য সেটা বলা বাহুল্য। দেখা যায়, ধর্মতলায় ছাত্র আন্দোলনের ফলে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু হয়েছে। ৬টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। চলছে গ্রেফতারি। ওদিকে পাটনা আদালত তেজ প্রতাপকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে, যার পরেই তাঁকে পাটনার বেউর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। নতুন ফৌজদারি আইন 'ভারতীয় ন্যায় সংহিতায়' (BNS) তেজ প্রতাপের বিরুদ্ধে ১০৯ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এরপরেই সোমবার নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে বিহার ও বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করে ককরোচ জনতা পার্টির তরফে লেখা হয়, ''@samrat4bjp ও @SuvenduWB, জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবেন না। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করুন।''

উল্লেখ্য, সোমবার সংসদে ঢোকার আগে এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা বলেন, “আমি শুনেছি এখনও বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে এফআইআর দায়ের হচ্ছে বলে শুনেছি। যদিও তা যাচাই করিনি।”