গত ১৯ অগাস্ট মেঘালয় ও অসমের মধ্যে অশান্তি ও হিংসার ঘটনার পরে রীতিমত সমস্যার মুখে মেঘালয়ের পর্যটন। জানা যাচ্ছে, সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই শিলং ও চেরাপুঞ্জির ৮০-৯০ শতাংশ বুকিং বাতিল করেছেন পর্যটকরা। বহু পর্যটককে অসম হয়ে মেঘালয়ে ঢুকতে হয়, তাই দুই রাজ্যের মধ্যে রাস্তা বন্ধ থাকলে পর্যটকরা মেঘালয়ে পৌঁছনো নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। অনেকেই উত্তর-পূর্বের একাধিক রাজ্যে একসঙ্গে ঘোরার পরিকল্পনা করেন। তাই অন্য রাজ্যগুলিতেও এই অশান্তির প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বেশিরভাগ ট্যুর অপারেটররা।
শুধু তাই নয়, হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহণ সংস্থা, হ্যান্ডিক্র্যাফটের মতো ছোট–বড়–মাঝারি বহু শিল্প পর্যটনের উপরে নির্ভরশীল। তাই নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানো এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন ১৯ তারিখের অশান্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে তবু পর্যটকরা মোটেও স্বস্তি পাচ্ছেন না। একটি স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিমও গঠিত হয়েছে যাতে অসম ও মেঘালয়ে সমন্বয় রেখে তদন্ত করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি দ্রুত ফেরানো যায়।
প্রসঙ্গত, ১৯ অগস্ট শিলংয়ে খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (কেএসইউ) একটি মিছিলে হিংসা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর থেকে দুই রাজ্যের মধ্যে গাড়ি চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। মেঘালয়ের ট্যুর অপারেটর সংস্থার প্রেসিডেন্ট, নর্থ–ইস্ট ইন্ডিয়া ট্যুরিজ়ম কনফেডারেশন ও শিলং হোটেলস, ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্যুর অপারেটর্স-এর মেঘালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ই বি ব্লাহ জানিয়েছেন মেঘালয়ে ভ্রমণ নিয়ে পর্যটকদের মনে যে আস্থা তৈরি হয়েছে, সেটা এইভাবে চলতে থাকলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। দুর্গাপুজো ও বড়দিনের ছুটিতে ঘোরার জন্য প্রচুর বুকিং হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন মেঘালয়ে আসা নিরাপদ নয় ভেবে অনেক বুকিং বাতিল হচ্ছে যা মোটেই কাম্য নয়।
















