নিট দুর্নীতি ও প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির দায় নিয়ে ইস্তফা দিতে হবে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে (Dharmendra Pradhan), কোনও আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়া যাবে না - বিরোধীদের বিক্ষোভে উত্তাল সংসদ। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও লোকসভা অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা সাময়িকভাবে স্থগিত করে দেন স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। কেন্দ্রের তরফ থেকে আলোচনার প্রস্তাব রাখা হলেও তা মানতে চাননি বিরোধী সাংসদরা। পাশাপাশি স্লোগান পাল্টা স্লোগানে সংসদের বাইরে কার্যত সম্মুখসমরে শাসক ও বিরোধী শিবির!
রাজধানীতে শুরু হওয়া পড়ুয়াদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দেশে। চাপ বাড়ছে কেন্দ্রীয় সরকারের। CJP আগেই জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা নিয়ে কোনও আলোচনা নয়, তাঁকে পদত্যাগ করতেই হবে। যতক্ষণ না সেটা হচ্ছে আন্দোলন চলবে। এদিন মকর দ্বারের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিরোধী শিবির।স্লোগান দেওয়া শুরু করেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর বিক্ষোভ ও সিজেপির আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগে পালটা স্লোগান দেয় শাসক শিবিরও।বৃহস্পতিবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রশ্ন ফাঁস দুর্নীতির তদন্তে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের কথা উল্লেখ করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু বিরোধীরা সাফ জানিয়েছেন, এসব বার্তা দিয়ে পিঠ বাঁচানো যাবেনা। সংসদে স্পিকার যতই বলুন যে এই বিষয় নিয়ে আলোচনার সময়সীমা বিরোধীরা ঠিক করতে পারবেন, কিন্তু তাতেও সাড়া মেলেনি। দ্বিতীয় বার অধিবেশন মুলতুবি হওয়ার ঠিক আগে রিজিজু জানান, স্পিকারের সঙ্গে সরকারপক্ষের ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। বিরোধীদের প্রতি আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলেছি। আপনারা যে দিন, যে সময়ে এবং যতক্ষণ ধরে আলোচনা করতে চান, সরকার তাতেই রাজি। কিন্তু শর্ত জুড়ে দেবেন না। শর্ত বা অজুহাত দেওয়া শুরু করলেই দেশের মানুষ বুঝে যাবে যে আপনারা আসলে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে যেতে চাইছেন।” ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা বলেন, কোনওরকম আলোচনা শুরু করার প্রাথমিক শর্তই হল শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা। সেটা না হলে আলোচনা হতে পারে না। দু পক্ষের বাদানুবাদের জেরে স্বাভাবিকভাবেই আজও সংসদের অচলাবস্থা কাটল না।
















