সপ্তাহের শুরুতেই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পশ্চিম এশিয়া (West Asia)। ভারতীয় সময় ভোর তিনটে নাগাদ ৫.৪ মাত্রায় কেঁপে উঠে মিশরের বিস্তীর্ণ এলাকা (Vast areas of Egypt)। এই কম্পনের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার নিচে। তবে উৎপত্তিস্থল কোথায় তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও সুয়েজের কাছকাছি এলাকাতেই এই কম্পনের উৎস বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
কম্পনের মাত্রা শুধু সীমান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। মিশরের কায়রো (Cairo), গিজা সহ একাধিক শহরের পাশাপাশি ফিলিস্তিন (Palestine), ইজরায়েল, জর্ডন, লেবানন এবং সাইপ্রাসের কিছু অংশেও এই কম্পন অনুভূত হয়। ভোরের নিস্তব্ধতার মধ্যেই আচমকা কেঁপে উঠে মিশর। ফলে বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
ভূমিকম্পের (Earthquake) পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তৎপর হয় প্রশাসন। জরুরি পরিষেবা প্রস্তুত রাখা হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়। তবে কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। তবুও সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলিকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে প্রশাসনের বার্তা, অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে পুরনো বা দুর্বল কাঠামোর বাড়ি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পপ্রবণ পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে মাঝেমধ্যেই মাঝারি মাত্রার কম্পন হলেও প্রতিটি ঘটনাকেই গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
















