অযোধ্যার রামমন্দিরের (Ajadhya Ram Mandir) CEO বাছাই পর্ব নিয়ে সমালোচনা তুঙ্গে! ইন্টারভিউয়ে প্রশাসনিক দক্ষতা ছাড়াও প্রার্থীদের ধর্মাচরণ ও ব্যক্তিগত অভ্যাস নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে এমনটাই জানা যাচ্ছে। ১৮ জন প্রার্থীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে তাঁরা শিখা বা পৈতে ধারণ করেন কিনা, নিরামিষ না আমিষ খান, মদ্যপান করেন কি না। শুধু তাই নয়, রামের প্রতি তাঁদের বিশ্বাস কতটা, সেই নিয়েও করা হয়েছে প্রশ্ন। সূত্রের খবর, প্রার্থীদের প্রথমে একটি ফর্ম পূরণ করতে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ছাড়া ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে তথ্য দিতে হয়। বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভিড় সামলানোর অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, জানতে চাওয়া হয়, তাঁরা রামের প্রতি কতটা বিশ্বাসী, পুরোপুরি নিরামিষভোজী কিনা, আমিষ খান কিনা, মদ্যপান করেন কিনা। এখানেই প্রশ্ন উঠছে একজন প্রার্থীর কর্ম দক্ষতার থেকে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে ব্যক্তিগত ধর্মাচরণ!
সম্প্রতি বোর্ডের বিরুদ্ধে বড় মাপের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জুন মাসে মন্দিরের দানবাক্স ও অনুদানের টাকা, সোনা-সহ বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে গরমিলের অভিযোগ আসার পরে প্রথমবার পূর্ণ সময়ের সিইও নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ট্রাস্টের তরফে। নতুন সিইও-র হাতে মন্দিরের প্রশাসন, পরিষেবা এবং ব্যবসায়িক দিকটি দেখভালের দায়িত্ব থাকবে। সিইও পদের জন্য সারা দেশ থেকে ৫৩০০-র বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। সেখান থেকে ১৮ জনকে চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে যাদের মধ্যে তিনজন প্রাক্তন আইএস আধিকারিক, একজন অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস এবং চারজন প্রাক্তন সামরিক ও শিক্ষা বিভাগের আধিকারিক। বয়সের সীমা ৫০ থেকে ৭০ বছর। মঙ্গলবার থেকে যাচাই প্রক্রিয়া চলছে। এদিন রামমন্দির চত্বরের উত্তর দিকে একটি গ্রিনহাউসে ১০ জন প্রার্থীর ইন্টারভিউ ছিল এবং একেকজনের জন্য বরাদ্দ ছিল প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিনিট। বুধবার বাকি প্রার্থীদের ইন্টারভিউ হবে। নির্বাচন কমিটিতে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিষ্ণুকান্ত চতুর্বেদী, প্রাক্তন বিচারপতি প্রমোদ কোহলি, এবং শিরডি সাইবাবা ট্রাস্টের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজ্ঞানী সুরেশ হাওয়ারে রয়েছেন।
















