প্রশ্ন ফাঁস ইস্যুকে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতেই কৌশল বদল প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদির। নিয়ম মাফিক সান্ধ্য ভাষণ নয় রাতে দিচ্ছেন ভিডিও। বিগত কয়েকদিনের মতোই শুক্রবারও তাঁর ব্যতিক্রম হল না। নৈশ ভিডিও বার্তায় যুব সমাজকে নৈতিকতার পাঠ দিলেন  মোদি। এই ভিডিওতেও যুবসমাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সম্বোধন ছিল, ‘ফ্রেন্ডস্’, ‘দোস্ত’। 

 সেলফি মোডে করা ২.৫৪ মিনিটের ভিডিও বার্তায় কিন্তু বারবার প্রশ্ন ফাঁসের জঘন্য ঘটনার কোনও অনুতাপ নেই। ২০ জনের মৃত্যুর জন্য কোনও প্রায়শ্চিত্ত নেই। পুলিশের জঘন্য হামলা নিয়ে একটি শব্দও নেই। চাপে পড়ে শিক্ষামন্ত্রী  পদত্যাগ করলেও যন্তর মন্তরের ঘটনাকে পড়ুয়াদের বচপনা, শারারত বললেও উল্লেখ করলেন।

 

বক্তব্যের শুরুতেই আবেগ উস্কে দিয়ে মোদি বলেন, ‘‘ওরা আমাকে তো বটেই, আমার প্রয়াত মাকেও অনেক অপমান করেছে। কিন্তু আমি ওদের ক্ষমা করে দিলাম। অপমান বা কটাক্ষ কোনও সমাধান নয়। আসুন, সকলে একসঙ্গে কাজ করি, ভারতের জন্য।”  

সংস্কৃতির অবক্ষয় হচ্ছে জানিয়ে মোদি বলেন,  ‘‘কিন্তু সময় আছে। এই ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বুকে টেনে নিয়ে সঠিক রাস্তা দেখানোর। এটাই আমাদের কর্তব্য।‘আসুন। দেশের জন্য সবাই এক সঙ্গে এগোই। কিছু নতুন শিখি। দেশ এগোচ্ছে, এগোবে, আমার স্বপ্ন আপনাদেরও অগ্রগতি । আমি আপনাদের জন্যই জিতেছি। আপনাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ভাবি। আমরা এক সঙ্গে এগোই।’’ 

আসলে সিজেপির আন্দোলনে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণে আশঙ্কার কালো মেঘ দেখছে গেরুয়া শিবির। জেন জি-দের মন পেতে ভরসা সমাজ মাধ্যম। দীর্ঘ গুরু গম্ভীর ভাষণ নয় মোদিও ছোট ভিডিওতে জোর দিচ্ছেন। তাঁর বক্তব্যে প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সমাধানের কোনও বার্তা নেই, না আছে পুলিশের নির্মল লাঠিলার্জের অনুশোচনা।