প্রথা মাফিক ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।তবে এবার ভাষণের শুরুটা হল কিছুটা অন্যরকমভাবে। রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শুরুর আগে ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘জন গণ মন’ বেজে ওঠে।
রাষ্ট্রপতির জাতির উদ্দেশে ভাষণে উঠে এল নিটের প্রশ্ন ফাঁস থেকে দেশের যুবসমাজের সুরক্ষা এবং পড়ুয়াদের জন্য স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরীক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা। একইসঙ্গে দেশভাগের যন্ত্রণা থেকে বিকশিত ভারতের কথাও তুলে ধরলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
নিট ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি জানান,পরীক্ষা ব্য়বস্থায় সংস্কার প্রয়োজন। দেশের তরুণ প্রজন্মের যেন শিক্ষাব্যবস্থায় ভরসা থাকে। তাঁর কথায় ‘‘পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মানুষের কথা শুনতে হবে। কেউ যেন ন্যায় থেকে বঞ্চিত না থাকেন।”
রাষ্ট্রপতি ভারতের তরুণ প্রজন্মের অবদানের কথা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য তাদের বর্তমানকে সুরক্ষিত রাখাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রপতির কথায় উঠে আসে বিকশিত ভারতের কথাও। ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার ডাক দেন রাষ্ট্রপতি। দেশভাগের কথা প্রসঙ্গে ১৪ অগাস্টকে বিভাজন বিভীষিকা দিবস বলে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘১৪ আগস্ট বিভাজন বিভীষিকা দিবস। দেশভাগের যন্ত্রণা লক্ষ লক্ষ মানুষ সহ্য করেছেন। তবুও তাঁরা নিজেদের শিকড় ভোলেননি।”ভারতের সংবিধান নাগরিকদের অংশগ্রহণের উপর ভিত্তি করে তৈরি।” রাষ্ট্রপতি জানান, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় স্তরের বিভিন্ন কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের একটি অনুপ্রেরণার দিক।
রাষ্ট্রপতির ভাষণে উঠে আসে সন্ত্রাসবাদ ও পাকিস্তান প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদী ও তাদের সহায়তাকারীদের, সে তারা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, এর পরিণাম ভোগ করতে হবে।”
















