কোনও বিকল্প পদ্ধতি নয়, মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসিই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে।
ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন বা কম যন্ত্রণাদায়ক বিকল্প পদ্ধতি কার্যকর করার আর্জি জানিয়ে যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ তা বাতিল করে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে সিপ্রিম কোর্টের আগের তিনটি রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে মামলাটি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোরও আর্জি জানিয়েছিলেন মামলাকারী। বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ সেটাও খারিজ করে দিয়ে সাফ জানিয়েছ দিয়েছে, আগের তিনটি রায় বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর মতো কোনও জোরালো যুক্তি দেখাতে পারেননি আবেদনকারী।
আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নতুন কোনও শক্তিশালী চিকিৎসাবিজ্ঞান বা বৈজ্ঞানিক তথ্য সামনে এলে এই বিষয়ে ফের সাংবিধানিক পর্যালোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে কেন্দ্র চাইলে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করতে পারবে।
আবেদনকারীর যুক্তি ছিল, ফাঁসিতে কোনও মানুষের মৃত্যু হতে ৪০ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে। এটা অমানবিক ও নিষ্ঠুর। তাঁর প্রস্তাব ছিল, অন্তত দণ্ডিত আসামিকে ফাঁসি বা লেথাল ইনজেকশনের মধ্যে কোনও একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।
জানুয়ারি মাসে এই মামলার রায় সংরক্ষণ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। শেষ পর্যন্ত ফাঁসির পদ্ধতি বহাল রাখলেও বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে ভবিষ্যৎ পর্যালোচনার পথ খোলা রেখেছে শীর্ষ আদালত।
















