বাঘ, লেপার্ড, সিংহ সাফারি ছাড়াও গত বছর কুনোয় চালু হয়েছে চিতা সাফারি। এবার স্নো লেপার্ড সাফারিও ভারতে চালু হতে চলেছে। লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা এই বিষয়ে জানিয়েছেন, উপত্যকার বিখ্যাত স্নো লেপার্ড সাইটিং রুটগুলি ধরে জিপ সাফারির পরিকল্পনায় সায় দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রথম হাই অল্টিটিউড ওয়াইল্ডলাইফ সাফারি নিয়ে এই মুহূর্তে কৌতূহল তুঙ্গে। পর্যটনের এই নতুন দিগন্ত খুলে গেলে সার্বিক ভাবে লাদাখবাসীরা লাভবান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
লাদাখে স্নো লেপার্ড দেখতে পর্যটকরা ভিড় জমালেও তাঁদের গতিবিধির উপরে নজরদাবি বা নিয়ন্ত্রণ ছিল না। নতুন পর্যটন মডেল বাস্তবায়িত হলে নির্দিষ্ট রুটে সাফারি এবং স্নো লেপার্ডদের এলাকার সুরক্ষা বাড়বে। স্থানীয়রা প্রশিক্ষণ নিয়ে জিপচালক এবং গাইডের কাজ করার সুযোগ পাবেন। কাজিরাঙা বা রণথম্ভোরের জাতীয় উদ্যানের মত বিশেষ হুডখোলা জিপে সাফারি হবে। আপাতত লাদাখে আনুমানিক ৪৭৭টি স্নো লেপার্ড আছে। ‘ঘোস্ট অফ দ্য মাউন্টেন’ বলে পরিচিত এই লেপার্ড খুব সহজে নজরে আসেনা। তাঁদের চামড়ার ছোপ তাঁদের সহজেই লুকোতে সাহায্য করে। গোটা বিষয়টি বাস্তবায়নের কাজ করবে ‘স্নো লেপার্ড অ্যান্ড হাই-অল্টিটিউড (শান) কনজারভেশন সোসাইটি। স্থানীয় লাদাখবাসীদের বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ ও পর্যটনের কাজে যুক্ত করা হবে।
















