বৃহস্পতিবার গভীর রাতেই অনশন প্রত্যাহার করেছেন সোনম ওয়াংচুক(Sonam Wangchuk )। শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ না হলেও অনশনের পথ থেকে সরে আসেন বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ।একদিকে রাজপথে যখন ককরোচ জনতা পার্টি তীব্র আন্দোলন করছে তখন তাদেরই সমর্থনে অনশনে বসা সোনম কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে অনশন প্রত্যাহার করেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ‘সেটিং’ তত্ত্বের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক(Sonam Wangchuk )।
“অনশনের পরে আমাকে এখন আন্তরিকতার প্রমাণ দিতে হবে?” সমালোচকদের বার্তা সোনমের
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে অনশন প্রত্যাহার করেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ‘সেটিং’ তত্ত্বের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক(Sonam Wangchuk )।
Sponsored

ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র আন্দোলনের সমর্থনে জুন মাসের শেষ ভাগ থেকে একটানা অনশনে ছিলেন ওয়াংচুক। অনশনের ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বেসরকারি হাসপাতালে পৌঁছে তাঁকে নিজে হাতে খাইয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং
২৪ ঘণ্টা পর হাসপাতালের বেড থেকেই রেকর্ড করা ২২ মিনিটের একটি ভিডিয়োতে তিনি নিজের শারীরিক অবস্থা এবং অনশন ভাঙা নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব দিলেন। সোনম বলেছেন, ‘‘২৬ দিনের অনশনের পরে আমাকে এখন আন্তরিকতার প্রমাণ দিতে হবে? দুঃখ, বিস্ময়, ক্ষোভ এবং শোকের মিশ্র অনুভূতি নিয়ে আমি এই ভিডিয়ো করছি। অনেক শারীরিক ধকল, ঝগড়াঝাঁটি, ধর্মঘটের মধ্যে ২০ বা ২২তম দিনে সমস্ত অবশিষ্ট শক্তি দিয়ে আমাকে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল।”
এখানেই শেষ নয় সোমন নিজের পক্ষে আরও সওয়াল করে বলেছেন, “যদি কোনও চুক্তিই করতে হত, তাহলে কি তার জন্য ২৬ দিন অনশন করতে হত? আরামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসেই তো আলোচনা করা যেত। দিল্লির রাস্তায় এতদিন না খেয়ে থাকার কোনও প্রয়োজন ছিল না। আমার অনশন কতটা পবিত্র ছিল, তা নিয়ে কি এখন চরিত্রের শংসাপত্রও দিতে হবে?”
ওয়াংচুক নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনও মন্ত্রীর পদত্যাগ আদায় করা আমার অগ্রাধিকার ছিল না। একমাত্র লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীরা যেন কোনও ক্ষতির শিকার না হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে যেন কোনও এফআইআর বা অন্য কোনও আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করা।
ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র আন্দোলনের সমর্থনে ২৮ জুন শুরু করেন অনশন। গত ১৮ জুলাই সোনম ওয়াংচুককে প্রতিবাদস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।প্রথমে সাফদারজং পরে মেদান্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। যদিও যন্তর মন্তরে থাকাকালীনই উদ্বেগ বাড়ছিল তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে। তবে হাসপাতালে গিয়েও, নিজের দাবিতে অনড় ছিলেন সোনম ওয়াংচুক।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













