আন্দোলন থামবে না, কেন্দ্রীয় সরকারের একনায়কতন্ত্রের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে ১০ অক্টোবর থেকেই- ঠাকুমার শেষকৃত্যে যোগ দিতে গ্রামে যাওয়ার আগে হুঁশিয়ারি দিলেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। যন্তর মন্তর অভিযান ঘিরে দিল্লি পুলিশের নির্লজ্জতা প্রমাণ করে দিয়েছে জ্ঞানেশ কুমারকে যে কোনও মূল্যে বাঁচাতে চাইছে মোদি-শাহের সরকার। এবার প্রতিবাদ আরও তীব্র হবে। সিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে যতই পদক্ষেপ করা হোক না কেন এই আন্দোলন কোনও মতেই থামবে না। পাশাপাশি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে 'ভীতু' বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। 

শনিবার সিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার আগেই প্লেন থেকে কোনও কাগজপত্র ছাড়াই আটক করা হয় অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষদের। দীর্ঘ সময় ধরে CJP-র তিন শীর্ষ নেতার কোনও খবর মেলেনি। গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও। এসবের মাঝেই খবর আসে অভিজিতের ঠাকুরমার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সেই সংক্রান্ত কোনও খবর সিজেপি প্রতিষ্ঠাতাকে না জানিয়ে মিথ্যাচার করার অভিযোগ দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর মহারাষ্ট্রে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন অভিজিৎ। ধ্রুবর পর সিজেপির তরফ থেকেও অপহরণ তথ্য তুলে ধরে পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। দেশের 'অঘোষিত জরুরি অবস্থা'য় শুধু মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ নয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও নিশানা করেছেন অভিজিৎ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, স্বৈরাচারী শাসন বরদাস্ত হবেনা। যেভাবে একনায়কতন্ত্র চালানো হচ্ছে, প্রশ্ন করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে তা তরুন প্রজন্ম মেনে নেবে না।সমাজ মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, “১০ অক্টোবর তারিখটি ইতিহাসে এই স্বৈরতন্ত্রের পতনের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।”   

রবিবার সিজেপি ও বাম শাখা সংগঠনের ডাকে দিল্লিতে ফের জন্তুর মন্তর অভিযান চলছে। এদিনও রাজধানীর একাধিক রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে পুলিশ। আধা সেনা মোতায়ন করা হয়েছে। সকাল থেকেই ব্যাপক ধরপাকড় চলছে,  ইতিমধ্যেই সিপিআইএমের রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস করা ও আইসা নেত্রী নেহা বোরাকে আটক করা হয়েছে।