যন্তর-মন্তরে শান্তিপূর্ণ পড়ুয়া বিক্ষোভ দমন করতে দিল্লি পুলিশ যে পেলেটগান ব্যবহার করেছিল, সেই তথ্য প্রথম প্রকাশ্যে আনে তৃণমূলই। এর প্রতিবাদে প্রথম সোচ্চার হয় তৃণমূলই। বিষয়টি নিয়ে আরটিআই করেছিলেন রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখেল। দলের বক্তব্যের যৌক্তিকতা এবং প্রমাণ তুলে ধরতে সেদিনের পুলিশি নৃশংসতার দৃশ্যের শতাধিক ভিডিও তুলে তা বিরোধী দলগুলোর কাছে পাঠানোও হয়েছিল। তৃণমূলের এই লড়াকু ভূমিকাকে সমর্থন জানিয়েছিল কংগ্রেস-সহ বিরোধী নেতৃত্ব এবং ককরোচ জনতা পার্টি। পরে এই নিয়ে সরব হন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন শুক্রবার জানান, জুলাইয়ের শেষেই তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চাওয়া হয়েছিল কতজন আন্দোলনকারী পেলেটবিদ্ধ হয়ে জখম হয়েছিলেন। কোন কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়েছিল তাদের। ১০ অগাস্ট পাওয়া যায় আরিটিআইয়ের উত্তর— তথ্য এবং পরিসংখ্যান। একমাত্র এইমস ছাড়া প্রতিটি হাসপাতালই এর উত্তর দিয়েছিল। তারপরে সেই তথ্য এবং পরিসংখ্যান যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়েছিল তৃণমূলের পক্ষ থেকে। ডেরেক ও’ব্রায়েন জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সমস্ত তথ্য এবং পরিসংখ্যান শীর্ষ আদালতে পেশ করতেও প্রস্তুত তাঁরা।
















