সোনম ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন, ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) আন্দোলন, দেশজুড়ে বিক্ষোভের জেরে অবশেষে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস, শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলনের রেশ দিল্লি (Delhi) ছেড়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদের অন্যান্য দাবি মেনে নিলেও ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় রাজি ছিল না কেন্দ্র। আর আন্দোলনকারীরাও এই দাবি থেকে একচুলও নড়েননি। এর ফলে শনিবার নিট প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিজেই স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট (Social Media Post) করে এই কথা জানান তিনি।
— Dharmendra Pradhan (@dpradhanbjp) July 25, 2026
নিটের প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি। তাঁর ইস্তফা ছাড়া কোনও শর্তেই আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না বলে বারবার একই কথা জানান সিজেপি নেতৃত্ব। এ বিষয়ে দু’দফায় মোদি সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন সিজেপি-র প্রতিনিধিরা। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে অনড় ছিলেন আন্দোলনকারীরা । এদিন বিকেলে তৃতীয় দফার আলোচনাও কথা ছিল। তার আগে স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে ইস্তফার কথা জানান ধর্মেন্দ্র।
দুপুরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ধর্মেন্দ্র জানান, “ছাত্র, শিক্ষক এবং শিক্ষার সংস্কারে গত চার দশক ধরে আমি নিজেকে নিবেদন করে এসেছি। সবসময় বিশ্বাস করেছি, শক্তিশালী, দূরদর্শী শিক্ষাব্যবস্থাই একটা শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভিত্তি হতে পারে। দেশের যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি, ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশাকে আমি গভীর ভাবে শ্রদ্ধা করি। তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করা আমাদের সকলের রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গীকার। দেশের সেবা করার সুযোগ আমি পেয়েছি, তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।“
ধর্মেন্দ্র জানান, ৩ মে নিটের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় প্রথম দিন থেকেই নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, “কোনও মেধবী ছাত্রের ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে দেব না, কারও সঙ্গে অন্যায় হতে দেব না- এটাই আমার সঙ্কল্প। গত ১০ দিনের ঘটনাক্রমে আমি ব্যথিত। যন্তর মন্তর এবং সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, দেশবিরোধী শক্তিগুলি যাতে তার সুযোগ নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে, সে কথা বিবেচনা করে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।“
















