কর্নাটক বিধানসভা ও পরিষদে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে তৈরি হল রাজনৈতিক উত্তাপ, সরকারি নির্দেশ ঘিরে উঠল প্রশ্ন। কর্নাটক বিধানসভার (Karnataka Legislative Assembly) বিশেষ অধিবেশনের শুরুতেই ‘বন্দে মাতরম’ গানকে ঘিরে তৈরি হল বিতর্ক। সরকারি ভাবে গানটির প্রথম দুই স্তবক পরিবেশনের পরই তা থামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আপত্তি জানিয়ে পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে শুরু করেন বিজেপির বিধায়করা (BJP MLA)। একই ঘটনা ঘটে কর্নাটক বিধান পরিষদেও। সম্প্রতি কর্নাটক সরকার (Government of Karnataka) একটি নির্দেশ জারি করে জানায়, রাজ্য সরকারের অধিকাংশ সরকারি অনুষ্ঠানেই ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রথম দুই স্তবক পরিবেশন করা হবে। তবে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা রাজ্যপালের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। কর্নাটক হাইকোর্টে (Karnataka High Court) দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। সেখানে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, রাজ্য সরকার এইভাবে ‘বন্দে মাতরম’-এর পরিবেশন নির্দিষ্ট স্তবকে সীমাবদ্ধ করার নির্দেশ দিতে পারে কিনা। এই বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভায় বিজেপি সদস্যদের পূর্ণ গান পরিবেশন রাজনৈতিক চাপানউতোরকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিষয়টি এখন শুধু বিধানসভার অভ্যন্তরীণ বিতর্কে সীমাবদ্ধ নেই; সরকারি নির্দেশ এবং কেন্দ্রের নির্দেশিকার মধ্যে সামঞ্জস্য নিয়েও আইনি প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে ‘বন্দে মাতরম’-এর কোন অংশ সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে কর্নাটক রাজনৈতিক বিতর্ক কোথায় গিয়ে থামে, এখন সেদিকেই নজর।
















