কেন্দ্রের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ তুললেন শিক্ষাবিদ তথা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল ২৬দিন ধরে চলা অনশন ভাঙার সেই মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করা হবে না। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে কেন্দ্র। অভিযোগ সোনমের। তিনি জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ঘোষণার আগে পর্যন্ত, মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা (J P Nadda) এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের (Jitendra Singh) সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কোনও ছবি প্রকাশ করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে কেন্দ্র। সোনমের দাবি মন্ত্রীরা ছবি তোলার পরে কথা দিয়েছিলেন, সেই ছবি প্রকাশ্যে আসবে না। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতিভঙ্গ করা হয়েছে।
‘বিশ্বাসভঙ্গ’ ওয়াংচুকের! নিশানায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা
আন্দোলনকারী ছাত্রদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ঘোষণার আগে পর্যন্ত, মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা (J P Nadda) এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের (Jitendra Singh) সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কোনও ছবি প্রকাশ করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তাঁকে।
Sponsored

লাদাখে জুস বা স্যুপ পান করিয়ে অনশনভঙ্গই রীতি। ওয়াংচুক বলেন, “আমি বলেছিলাম যে অন্য দলের নেতৃত্বকেও আনা দরকার। তাঁদের নেতা, ছাত্রনেতাদের উপস্থিতিতে যৌথ সমাবেশ চেয়েছিলাম। মধ্যরাতে মন্ত্রীরা গেলে বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। জানিয়েছিলাম, অনশনভঙ্গ করব। কিন্তু আমার শর্তে সেই খবর প্রকাশ করতে হবে। বিরোধী শিবিরের নেতানেত্রী, ছাত্রনেতাদের উপস্থিতি নিয়েই ছবি প্রকাশ করতে হবে, যাতে বোঝা যায় সকলের চেষ্টায় এই কাজ সম্ভব হয়েছে।”
সমাজকর্মীর অভিযোগ, প্রথমে সম্মতি জানালেও সেই কথা রাখেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর (IB) আধিকারিকরাও সাক্ষী ছিলেন। তিনি যখন নেতাদের সঙ্গে ছবি তোলার পরে তিনি যখন অপেক্ষা করছিলেন, আশ্চর্যজনকভাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই এক IB অফিসার এসে জানান, ছবিগুলি টিভি চ্যানেলের হাতে পৌঁছে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, মধ্যরাতে সরকারের সঙ্গে ‘ডিল’ করার কথাও অস্বীকার করেছেন সোনম। এই মর্মে সোনম জানান ডিল করার হলে অনেক আগেই করতে পারতেন তিনি। ২৬ দিন ধরে অনশনের প্রয়োজন ছিল না। শুআরও অনেক বড় ডিল করতে পারতেন বলেও জানান সোনম। শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার কথা বলার সুযোগও ছিল তাঁর কাছে।
NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ছাত্রছাত্রীদের দাবি তুলে ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন শুরু করেন সোনম। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ডাকা আন্দোলনকে অন্যমাত্রায় পৌঁছে দেন তিনি। বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শিক্ষাবিদ তাঁর পাশে দাঁড়ান। শেষে চাদর দিয়ে ঢেকে যন্তর মন্তর থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়ায় রীতিমতো সমালোচনার মুখে পড়ে দিল্লি পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে সোনমের কথায়, গোটা ঘটনায় রাজনৈতিকদের উপর আস্থা নেই আর তাঁর। স্ত্রী গীতাঞ্জলি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। রাহুলর হাতে অনশন ভাঙার বিষয়ে আলোচনা হলেও ইতিবাচক উত্তর আসেনি।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













