দেশজুড়ে নিট প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডের জেরে পড়ুয়াদের আন্দোলনের পর দেশের প্রধানমন্ত্রী জেন জিদের বার্তা দেওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। রাতের দিকে রিলস বানিয়ে বার্তা দিতে দেখা যাচ্ছে মোদিকে (Narendra Modi)। শুক্রবার রাতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাঁর নিশানায় ছিলেন সেইসব প্রতিবাদী পড়ুয়ারা যাঁরা অশালীন শব্দ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর প্রয়াত মাকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মোদি রিল বার্তায় সকলকে ক্ষমা করার কথা বলতেই পালটা কটাক্ষ ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের (Abhijit Deepke)। সোশ্যাল মিডিয়াতেই তাঁর প্রশ্ন,"শুধু রিলেই ক্ষমা করবেন, নাকি মামলাগুলোও প্রত্যাহার করে নেবেন?" প্রধানমন্ত্রী তরফ থেকে অবশ্যই এর কোনও জবাব আসেনি।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্ররা বারবার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী যতই ইনস্টা ভিডিওর মাধ্যমে জেন -জির সঙ্গে কানেক্ট হওয়ার চেষ্টা করুন না কেন তিনি যা করেছেন তার কোনও ক্ষমা নেই। এত সহজে পড়ুয়া আন্দোলনকারীদের ভুলিয়ে রাখা যাবে না। বাস্তবে দেখা গেল সেটাই ঘটছে। নরেন্দ্র মোদি যতই বলুন না কেন যে তিনি চান ছাত্র যুব শক্তিকে নিয়ে দেশ গড়ার কাজ করতে, আসলে যে তাঁর কথার মধ্যে বেশ কিছুটা ক্ষমতার দম্ভ লুকিয়ে ছিল তা ভিডিও বার্তা থেকে পরিষ্কার। যে মেয়েটি মোদিকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করেছিলেন বলে প্রধানমন্ত্রী বার বার বলেছেন, সেই আন্দোলনকারী যে পরে ক্ষমাও চেয়েছেন মোদি তার উল্লেখ করেননি। পাল্টা এটাই বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি চাইলেই আইন প্রয়োগ করে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারতেন কিন্তু মহত্ব দেখাতে তিনি ক্ষমা করার পথে হাঁটতে চান। সিজেপিও (CJP ) ছাড়ার পাত্র নয়। মধ্যরাতে প্রধানমন্ত্রীর লাইভ এর পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল পাল্টা জবাব আসবে খুব শিগগিরই। হলও তাই। আর শোলারা বারবার দাবি করেছে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা তুলতে হবে। তা না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে। নিজেদের দাবিতে যে অনড় সিজেপি তা ফের বুঝিয়ে দিয়েছেন অভিজিৎ।
















