এই হল মোদিরাজ্যের আসল ছবি। র্যাগিং আর হেনস্থার শিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হলেন মোদিরাজ্যের ডাক্তারির স্নাতকোত্তর স্তরের এক পড়ুয়া। হর্ষ পাণ্ডিয়া নামে ৩০ বছর বয়সি ওই পড়ুয়াকে রবিবার সুরাতের সরকারি কলেজের হস্টেলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। হর্ষ নিউ সিভিল হাসপাতালে মাইক্রোবাইলজি বিভাগে চিকিৎসক হিসেবেও গত ৬ মাস ধরে কর্মরত ছিলেন। তাঁর প্রিয়জনদের অভিযোগ, সহকর্মীদের শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন হর্ষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজরাতের বিজেপি সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তাঁর পরিবার। সাধারণ মানুষের কথায়, স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের এবং কলেজ প্রশাসনের অপদার্থতার কারণেই অকালে চলে যেতে হল একজন সম্ভাবনাময় চিকিৎসককে। জনরোষের চাপে পড়ে শেষপর্যন্ত ৪ জন চিকিৎসককে ৬ মাসের জন্য সাময়িকভাবে বরখাস্ত করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। হর্ষের উপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের ঠিক হয়ে গিয়েছিল হর্ষের।
র্যাগিংয়ের শিকার! মোদিরাজ্যে প্রাণ গেল তরুণ চিকিৎসকের
Sponsored

হর্ষের বাবা হর্ষ পাণ্ডিয়াও একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক। তিনি জানালেন, রবিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ছেলের এক বন্ধু ফোন করে তাঁকে তাড়াতাড়ি সুরাতে চলে আসতে বলেন। তাঁর কথায় পড়াশোনা নিয়ে কোনও সমস্যা ছিল না ছেলের। তবে কাজ নিয়ে সিনিয়র এবং জুনিয়রদের মধ্যে কিছু সমস্যা ছিল। রবিবার নিউ সিভিল হাসপাতালে এমার্জেন্সি ডিউটি ছিল হর্ষের। কিন্তু তিনি রিপোর্ট না করায় এক সিনিয়ির ডাক্তার তাঁকে ফোন করেন। কিন্তু সুইচ অফ দেখে আর একজন চিকিৎসক বয়েজ পিজি হস্টেলে এসে দেখেন, ভেতর থেকে লক করা হর্ষের ঘর। নিরাপত্তারক্ষীরা দরজা ভেঙে দেখেন, সিলিং ফ্যানে ঝুলছে তাঁর দেহ। প্রাথমিক পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, হস্টেলের কয়েকজন সিনিয়র ডাক্তার তাঁকে নিয়মিত র্যাগিং করতেন।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored


