ইরানের আবারও আক্রান্ত পণ্যবাহী জাহাজ। একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, রবিবার রাতের দিকে, হরমুজের পূর্বমুখী একটি জাহাজের দিকের ড্রোন হামলা হয়েছে। সেই জাহাজে থাকা নাবিক এবং সদস্যদের মধ্যে নয় জন ভারতীয় ছিলেন। লাইব্রেরিয়ার পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কার এমটি আল মারিয়াহ-তে হামলা চালানো হয়েছে। এই জাহাজে ১৯ জন ছিলেন। তবে হামলার জেরে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ইঞ্জিন অক্ষত থাকায় দ্রুত জাহাজটিকে ওই অঞ্চল থেকে সরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এই ড্রোন হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।এই ঘটনার সঙ্গে ভারতও যুক্ত কারণ অল্পের জন্য নয় জন ভারতীয় রক্ষা পেয়েছেন। ড্রোন হামলা হলেও অক্ষত আছেন নাবিক সহ উনিশ জন।
পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালীতে বিশেষ প্রভাব পড়েছে। পশ্চিম এশিয়ার জলপথেও এর প্রভাব গত কয়েক মাস ধরেই রয়েছে। কারণ ওই জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানি এবং পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতের জেরে জাহাজগুলি হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে রেখেছিল ইরান। তাদের স্পষ্ট দাবি, জলপথে তাদের অধিকার কায়েম থাকবে। বিগত কয়েক মাস ধরে এই সংঘাত চলছে। এর মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছিল কিন্তু এলপিজি ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলায় ফের হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।
হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে তার প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে এলপিজি সংকট দেখা যায় ভারতেও।
















