রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ফের মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) একের পর এক ভারত-বিরোধী মন্তব্যের সরাসরি জবাব দিল দিল্লি (Delhi)। শরিফের বক্তব্যে উঠে এসেছিল "অপারেশন সিঁদুর" এবং সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গ। ভারতের (India) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তার পরেই শনিবার রাষ্ট্রসংঘে ভারতের তরফে বক্তব্য রাখেন পার্মানেন্ট মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি পেটাল গেহলট (Petal Gahlot)।

আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ ইস্যুতে বিরোধী ঐক্যের ডাক: মমতার সঙ্গে কথা রাহুল- বেবির

শরিফের মন্তব্যকে ‘অদ্ভুত’ বলে উল্লেখ করেন গেহলট। সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েই পালটা প্রশ্ন তোলেন তিনি। গেহলটের কথায়, ৯/১১ হামলার মূল চক্রী ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানেই আশ্রয় নিয়েছিলেন। পাক সেনার নাকের ডগায় তিনি লুকিয়ে ছিলেন বলেও মন্তব্য করেন ভারতীয় প্রতিনিধি।

আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ ইস্যুতে বিরোধী ঐক্যের ডাক: মমতার সঙ্গে কথা রাহুল- বেবির

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করে দেন গেহলট। তাঁর কথায়, সন্ত্রাসবাদীদের পালিয়ে গিয়ে বা লুকিয়ে থেকে বাঁচার সুযোগ দেওয়া হবে না। আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে ভারত। পাকিস্তানকে উদ্দেশ করে তাঁর বার্তা, জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দেওয়ার পরিণতি তাদের ভুগতেই হবে।

এর আগে শুক্রবারও রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। এক পাক সাংবাদিক দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন। জবাবে জয়শংকর বলেন, এই প্রশ্নের উত্তর তাঁর কাছে নয়। পাকিস্তানের মন্ত্রীরাই বলতে পারবেন, তাঁরা আর কতদিন সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে যাবেন।

এরপর আরও কড়া সুরে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিদেশমন্ত্রী। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে পরপর দুই দিন ভারত-পাকিস্তানের এই চাপানউতোরে ফের সামনে এল সন্ত্রাসবাদ নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ।