ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত এবং ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করার নিরলস অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে চলা কয়েক প্রজন্মের এক অসাধারণ ঐতিহ্যের গল্প ধরা পড়ল ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games) সমাপনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে এইসবের ঋষভ রিখিরাম শর্মার (Rishab Rikhiram Sharma) মনমুগ্ধকর সেতার পরিবেশনায়। তিনি পণ্ডিত রবিশঙ্করের সর্বকনিষ্ঠ এবং শেষ শিষ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে বন্দিত। ২০১০ সালে রিখিরাম (Rikhiram Sharma) মিউজিকাল ইন্সট্রুমেন্স স্টোর কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ভারতীয় বাদ্যযন্ত্র সরবরাহ করেছিলেন। ঠিক ত্যাগ ১৬ বছর পর একই মন্ত্রী সেই পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মের প্রতিভারি সব নিজের শিকারের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ঐতিহ্য তুলে ধরলেন বিশ্বের সামনে।

দিল্লির বিখ্যাত বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা সঞ্জয় শর্মা ও পণ্ডিত রিখিরাম শর্মার প্রপৌত্র ঋষভ। ১০ বছর বয়স থেকে বাবার কাছে সেতার শেখা শুরু করেন। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের সঙ্গে সমসাময়িক এবং আধুনিক সুরের অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটিয়ে শুধু নিজের প্রজন্ম নয় আগামী প্রজন্মের জন্যও এক অপূর্ব শিল্প সৃষ্টি করার কাজে ব্রতী তিনি। মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় সে তাদের ব্যবহার নিয়ে তার বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় উদ্যোগ Sitar For Mental Health বিশেষভাবে সমাদৃত এক প্রজন্ম ভারতীয় বাদ্যযন্ত্র কে কমনওয়েলথ গেমসে পৌঁছে দিয়েছিল আর তারই বংশের আরেক প্রজন্ম একই মঞ্চ ভারতীয় সুরের জাদুকে সারা বিশ্বের কর্ণকুহরে এক চিরস্থায়ী ভালোলাগার ঝংকার তৈরি করল। নিঃসন্দেহে একই পরিবারের কয়েক প্রজন্ম ধরে চলতে থাকা এই ঐতিহ্যের গল্প ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সংগীত ঘরে নয় যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য।