ক্যামাক স্ট্রিট বিলবোর্ডকাণ্ডে শেক্সপিয়র থানায় হাজিরা দিলেন মমতা তৃণমূলের (Mamata TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Benerjee)। বুধবার প্রায় ৫ ঘণ্টা পর হাজিরা দিয়ে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার পরেই একটি টিভি চ্যালেনের সাংবাদিকের প্রশ্নের মোক্ষম জবাব দিলেন তৃণমূল সাংসদ। অভিষেক বলেন, “খালি তৃণমূল কংগ্রেসের বিলবোর্ড খোলা হবে? তৃণমূল কংগ্রেসের যদি কিছু না থাকে, তাহলে এত ভয়, কেন!“

এদিনের তলব প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, কোনওদিন কোনও প্রশ্ন এড়িয়ে যাননি। প্রতিটি তদন্তে যতটা পেরেছেন, সহযোগিতা করেছেন। বিলবোর্ড ইস্যুতে পুরসভার (KMC) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। এই সময়ই গদি মিডিয়ার এক সাংবাদিক অভিযোগ করেন, বিলবোর্ড খুলতে যাওয়া পুরসভার কর্মী ও পুলিশের উপর আক্রমণ করা হয়েছে। সেই অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে অভিষেক বলেন, “শুধুমাত্র অভিযোগ করলে হবে না। নোটিশ না দিয়ে কোনও ডিমোলিশন হয় না, এটা কেএমসি-র নিজের আইনে রয়েছে। আর পুরসভা আমাকে নোটিশ দেয়নি।“ সেদিন সারা ক্যামাক স্ট্রিটে পুরসভার অভিযান হয়েছিল, কটা বিলবোর্ড খোলা হয়েছে? মোক্ষম প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। 

এর পরেই বিজেপি সরকারকে নিশানা করে অভিষেক বলেন, “খালি তৃণমূল কংগ্রেসের বিলবোর্ড খোলা হবে? তৃণমূল কংগ্রেসের যদি কিছু না থাকে, তাহলে এত ভয়, কেন পাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী? ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে তৃণমূলের সিম্বল ফ্রিজ, পার্টি অফিস ভাঙা, বিলবোর্ড খোলা, দলের নেতাকর্মীদের জেলে ঢোকানোর পরও এঁদের রাতে ঘুম আসছে না কেন?“ মমতা তৃণমূল সাংসদের কথায়, রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করে বাংলা দখল করা হয়েছে তাই এই সরকার অবৈধ, মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রিসভা সবই অবৈধ। একই রকমভাবে প্রধানমন্ত্রী—কেন্দ্রের সরকারও অবৈধ। 
আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ-বিরোধী আন্দোলন চাপ বাড়াচ্ছে কেন্দ্রের উপর! দিল্লিতে অতিরিক্ত ২৭ হাজার আধাসেনা মোতায়েন

দলবদলুদের নাম না করে অভিষেকের কটাক্ষ, “সারদা, নারদা চোরটা একবার সিবিআইয়ের (CBI) নোটিশ পেয়েই বিজেপিতে (BJP) ছুটে পালিয়ে গেছে।“