“তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার নিজেই ফ্রিজ হয়ে যাবেন”- বুধবার শেক্সপিয়র সরণি থানায় বিলবোর্ড মামলায় পুলিশের প্রশ্নের জবাব দিয়ে বেরিয়েই তোপ দাগলেন মমতা তৃণমূলের (Mamata TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Benerjee)। তিনি সাফ জানান, “জ্ঞানেশ কুমার গ্রেফতার হবেনই। উনি বিজেপি সরকারের প্রাণ ভোমরা। তাই তাঁকে বাঁচাতে মোদি-শাহর এতো তোড়জোড়। দেশের মানুষ এঁদের একসঙ্গে সকলকে বিদায় করবেন।“ জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে তদন্ত করতে হবে। তাহলেই আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে- দাবি অবিষেকের।
বিলবোর্ড মামলা ও পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, ক্যামাক স্ট্রিটে এতো বোর্ড রয়েছে। অথচ ভাঙা হল তৃণমূলের। প্রতিহিংসা প্রমাণিত। পুলিশ যতবার ডেকেছে, ততবার এসেছি। আজও এসেছি। পরেও আসব। এভাবে মামলা করে, পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করে তৃণমূলকে শেষ করা যাবে না। ৬ মাস সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এর মধ্যে ৬০০টি খুন, ২৪৫৪টি খুন, ১৪ হাজার খুনের চেষ্টার ঘটনা, বিজেপি আর পুলিশের হামলায় আহত কম করে ৩৩ হাজার। আরজিকরে একটি ধর্ষণের ঘটনায় বাংলার মানুষ প্রতিবাদ করেছিলেন। আর এখন ৬০০টি ধর্ষণের ঘটনার পরেও মানুষের কোনও প্রতিবাদ নেই। প্রতিবাদ করতে গেলেই জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই সরকার এতটাই ভীত-সন্ত্রস্ত! চুরি করে জিতলে এটাই তো হয়! দেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। তাঁকে ছুরি নিয়ে প্রকাশ্যে আক্রমণ করার চেষ্টা হচ্ছে। দেশের একজন মহিলা নাগরিক, জেড প্লাস প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা অনুমেয়!
আরও পড়ুন: খালি তৃণমূলের বিলবোর্ডকেই নিশানা! মোক্ষম জবাবে গদি মিডিয়ার অভিযোগ ওড়ালেন অভিষেক
অবৈধ এসআইআর প্রসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা বলেছিলাম, এটা অবৈধ। এখন বলছেন খোদ দুই নির্বাচন কমিশনার। ফর্ম ৬ নিয়ে কমিশনের জালিয়াতি ধরে দিয়েছে কোর্ট। হঠাৎ কমিশন জেগে উঠল কেন? এতদিন কী করছিল? জেগে ঘুমোচ্ছিল? সুপ্রিম ধ্যাঁতানি খেয়ে কমিশন রাস্তায় নেমেছে। আর আমাদের নির্লজ্জ রাজ্য সরকার,
যে ভোটচুরিতে সাহায্য করল, তাকেই করল মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা? মানুষ সব বুঝতে পারছেন।















