দুর্গাপুজোর মুখে ফের প্রকাশ্যে এল চাঁদার জুলুমবাজির অভিযোগ। দাবি মতো মোটা অঙ্কের টাকা না মেটানোয় একটি কারখানায় চড়াও হয়ে মালিক এবং কর্মীদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় এক ক্লাবের বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় কারখানার মালিককে হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগাছা থানার কামারডাঙা এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত কারখানা মালিকের নাম পলাশ ছোড়ি। তাঁর অভিযোগ, কামারডাঙার স্থানীয় ‘এ পি জি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশন’-এর সদস্যরা আসন্ন দুর্গাপুজো উপলক্ষে তাঁর কাছে অস্বাভাবিক অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। সেই বিপুল অঙ্কের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ক্লাবের কয়েকজন সদস্য দলবল নিয়ে জোর করে কারখানার ভিতর ঢুকে পড়ে। এরপরই শুরু হয় তাণ্ডব। কারখানার কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি মালিককে বেধড়ক পেটায় অভিযুক্তরা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
যদিও এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ক্লাবের তরফে অন্যতম অভিযুক্ত সন্দীপ মালের পাল্টা দাবি, "কারখানা মালিকের সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যে। আমাদের পুজোর জন্য কারও উপর কোনও জোরজুলুম করা হয়নি। এলাকার মানুষ স্বেচ্ছায় এসে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছেন।"
ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুজোর মুখে এমন দৌরাত্ম্য রুখতে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।















