Site Logo

তৃণমূলকে ভয় কেন? বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকারের 'সাফল্য' তুলে কটাক্ষ অভিষেকের

EBBS DESK··1 min read
তৃণমূলকে ভয় কেন? বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকারের 'সাফল্য' তুলে কটাক্ষ অভিষেকের

বিজেপি ক্ষমতায় আসার ২ মাসের মধ্যে রাজ্যে ১৪টির বেশি ধর্ষণের ঘটনা। বেহালা, বারুইপুর-সহ একাধিক জায়গায় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি এবার রাজ্যবাসীকে ভাবাচ্ছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প থেকে ১ কোটি সুবিধাভোগীর নাম বাদ পড়েছে শেষ ৬০ দিনেই। মিড ডে মিল থেকে বাদ পড়েছে ডিম। এই প্রসঙ্গ নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। 

Sponsored

Sranchi In Article

মঙ্গলবার, নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (X-Handle) কটাক্ষ করে রাজ্যে বিজেপির (BJP) 'ডাবল-ইঞ্জিন' সরকারের ১৫টি 'সাফল্য' তুলে ৬০ দিনে তৃণমূলকে 'ভয় পেয়ে' রাজ্যের শাসকদল কী কী করেছে তাও জানিয়েছেন। একইসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, বিজেপি যদি সত্যিই বিশ্বাস করে যে তারা জনগণের রায়ের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে, তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা এবং তৃণমূলকে দেখে তাদের এত ভয় কেন? 

Sponsored

Merlin In Article

কটাক্ষ করে কী কী সাফল্যের কথা তুলে ধরেন অভিষেক?

Sponsored

Shyam Sundar In Article

১) তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাংসদদের ভাঙিয়ে নেওয়া।

Sponsored

Camelia In Article

২) তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিধায়কদের ভাঙিয়ে নেওয়া।

Sponsored

Techno India In Article

৩) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় এমন এক বিরোধী দলনেতা তৈরি করা যিনি রাজ্য বিজেপির নির্দেশে চলেন এবং তাদের হাতের পুতুল হিসেবে কাজ করেন।

Sponsored

Probe In Article

৪) তৃণমূল কংগ্রেসকে আর্থিকভাবে কোণঠাসা করার লক্ষ্যে দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ বা অচল করে দেওয়া।

৫) হাজার হাজার তৃণমূল কর্মীকে আইনি মামলায় জড়ানো। সম্ভাব্য সব উপায়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে দুর্বল ও বিভক্ত করার চেষ্টা।

৬) 'যোগ দিবস'-এর নামে সাত দিন ধরে রাস্তা অবরোধ করে রাখা।

৭) রাজ্যজুড়ে ১৪টিরও বেশি ধর্ষণের ঘটনা—যার মধ্যে নাবালিকাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত।

৮) দিনের আলোয় সংখ্যালঘু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও ধ্বংস করা।

৯) বিরোধী নেতাদের গৃহবন্দি করে রাখা।

১০) 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্প থেকে ১ কোটি প্রকৃত সুবিধাভোগীর নাম বাদ দেওয়া।

১১) পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম শিশুদের মিড-ডে মিল থেকে ডিম বাদ দিয়ে নিরামিষ বিকল্প খাবার চালু করা হয়েছে, যার ফলে শিশুরা প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

১২) প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও হকারদের বিরুদ্ধে বুলডোজার অভিযান। গরিব মানুষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের জীবিকা নষ্ট করা হচ্ছে।

১৩) যারা আপস করে ও চাটুকারিতা করে তাদের জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নিরাপত্তা বলয় নিশ্চিত করা; অন্যদিকে যারা মাথা নত করতে অস্বীকার করে, তাদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া।

১৪) যারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে সিআইডি, ইডি, এসটিএফ এবং সিবিআই-এর নোটিশ ও তল্লাশি অভিযান।

১৫) দিল্লির "জমিদারদের" নির্দেশে সলিসিটর জেনারেলের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হয়ে আদালতে হাজিরা দেওয়া; বারবার শুনানির সময় পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা এবং বিচারব্যবস্থাকে এমনভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা যাতে পশ্চিমবঙ্গবাসীর হয়ে যারা লড়াই করছেন তাঁরা যাতে কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তি বা সুরক্ষা না পান।

Related Articles

More from রাজ্য

View All →