বিধানসভায় তাঁর বিরুদ্ধে ‘অন্যায়ভাবে’ স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ আনার প্রতিবাদে ন্যায়বিচার চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। রিট পিটিশন ফাইল করা হয়েছে। কুণালের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী (Ayan Chakraborty) সংশ্লিষ্ট পক্ষকে কপি সার্ভিস করছেন।
‘অন্যায়ভাবে’ স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ! সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চনার অভিযোগ: বিচার চেয়ে হাইকোর্টে কুণাল
তীব্র আক্রমণ করে কুণাল বলেন, ”বস্তুত, বিজেপি সরকারও চালাতে চায়; বালিশদের বকলস পরিয়ে নিয়ন্ত্রণ নিয়ন্ত্রণ করতে চায় বিরোধীশিবিরকে। আমরা ওদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমি এখন ওদের গলার কাঁটা।”
Sponsored

কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে অধিবেশন চলাকালীন অধ্যক্ষের পদ ও আসনকে উদ্দেশ্য করে চরম কটাক্ষ করা এবং বিধানসভার গরিমা ও স্পিকারের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করায় অভিযোগে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ আনেন পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের (Shankar Chakraborty)। সেই নোটিশ গ্রহণ করেছেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র ঘোষ। আগেই এর বিরোধিতা করে বেলেঘাটার বিধায়ক (Beleghata MLA) বলেন, "আমি (স্পিকার) চেয়ারকে অসম্মান করিনি। আপনার যদি মনে হয়, আমি অসম্মান করেছি চেয়ারকে, তাহলে আমি দুঃখিত।"
কুণালের অভিযোগ ছিল, স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের আলোচনায় তাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল কিন্তু বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান সেই নাম কেঁটে দিয়েছেন। সেই কারণেই প্রতিবাদ করতে ওঠেন তিনি। কুণালের কথায়, "আমিও এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছি। আমিও বলতে চাই, আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম। আমরা ঘর চেয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে দেখতে বলেন। আমরা বলার সময় চাই। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে সেটাও দেখতে বলেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আমাদের বিরোধী দলনেতা, আমাদের নাম পাঠান আখরুজ্জামানকে। তা সত্ত্বেও আমাকে বলতে দেওয়া হয়নি। ওঁর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সমস্যা নেই। প্রতীকী প্রতিবাদ আমি করেছি। আপনাকে অসম্মান করিনি। অপব্যাখ্যা করে চাপিয়ে দিলে হবে না।"
এবার তাঁর বিরুদ্ধে আনা স্বাধিকার ভঙ্গের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চেয়ে এবার হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক। তিনি জানান, “বিধানসভার অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে বলতে দেওয়া হয়নি। আমার সাংবিধানিক অধিকার থেকে আমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চেয়ে আমি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। রিট পিটিশন ফাইল করেছি।” তাঁর আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী সংশ্লিষ্টদের কাছে কপি সার্ভিস করছেন।
এর পরেই ঋতব্রত শিবিরকে তীব্র আক্রমণ করে কুণাল বলেন, ”বস্তুত, বিজেপি সরকারও চালাতে চায়; বালিশদের বকলস পরিয়ে নিয়ন্ত্রণ নিয়ন্ত্রণ করতে চায় বিরোধীশিবিরকে। আমরা ওদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমি এখন ওদের গলার কাঁটা। তাই আমাকে চক্রান্ত করে বলতে দিচ্ছে না। প্রতিবাদ করলে মার্শাল দিয়ে বার করে দিচ্ছে। স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাব আনছে। এর জন্য এবার ন্যায়বিচার চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলাম।”
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

More from রাজ্য
View All →
ঋতব্রত শিবিরের সময় শেষ, অবস্থান জানাক নির্বাচন কমিশন: চিঠি মমতার
8h ago

চেয়ারম্যান পদে রদবদল, সপ্তম বেতন কমিশনের দায়িত্বে নবীন প্রকাশ
8h ago

মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টারস্ট্রোক! ইস্কনের মিড-ডে মিলের সঙ্গেও ডিম দেবে রাজ্য
8h ago

আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ নয়, বিজ্ঞপ্তি নবান্নের
9h ago

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক গুরুংদের, GJM-এর প্রতিষ্ঠা দিবসে শুভেন্দুকে আমন্ত্রণ
10h ago







